শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন
ঘোষনা
নুরুল হক নুরের বক্তব্যে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন; গভীর ষড়যন্ত্রের গন্ধ সিলেটের কালিঘাট থেকে ডিবির হাতে আটক জাহেদ ও জাহাঙ্গীর। টেকনাফে পাহাড়ি এলাকায় গোলাগুলি, তরুণীর মৃত্যু ঝিনাইদহে দাঁড়িয়ে প্রসাব ফিরার অপরাধে ১০০ টাকা জরিমানা বিসমিল্লাহ সুপার মার্কেট ও মসজিদ কমপ্লেক্স-এর শুভ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন দুর্গাপুরে ছাত্রদলের আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ‎ সাতক্ষীরায় সার সিন্ডিকেট অনুসন্ধানকালে সাংবাদিকের উপর হামলা মনপুরায় প্রেমিককে আটকে রেখে প্রেমিকাকে গণধর্ষণ, এলাকায় চাঞ্চল্য কলারোয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নসিমন চালকের মৃত্যু। ঝিনাইদহে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প তালা’র সাধারণ মানুষের মাঝে সাক্ষাৎ বিনিময়ে এড. ইয়ারুল ইসলাম আনোয়ারায় খালে ঝাঁপ দিয়ে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, প্রাণ হারালো শিশু সন্তান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক মোমিনের শয্যাপাশে জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ তেঘরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক খোরশেদ জমিদার দল থেকে বহিষ্কার বগুড়া–৫ আসনের গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব গোলাম মোঃ সিরাজের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানালো জিয়া সাইবার ফোর্স আজ পবিত্র শবে মেরাজ রাজধানী ও রাজশাহী জেলা শাখার পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার নেতৃত্বকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন মিথ্যা মামলায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার নেতা নুরুল হোসাইন গ্রেপ্তারে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও গভীর ক্ষোভ। চোরাচালানের লাইনম্যান আল আমিন, কামাল ও আব্দুল্লাহ সিন্ডিকেটের বেপরোয়া চাদাবাজি! লালমোহনের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী চতলা বাজারে ময়লা-আবর্জনা ও পানি জমে দুর্ভোগ

আটঘরিয়ার শিক্ষকের বেত্রাঘাত সহ্য করতে না পেরে বিষপানে শিক্ষার্থীর আত্নহত্যা,বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৭ বার পঠিত

পাবনা জেলা প্রতিনিধি: “আমার বোন মরল কেন? বিচার চাই, সুষ্ঠু বিচার ও শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন শহীদ আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার ১০ নভেম্বর সকাল নয়টা থেকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষিকার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা । বিক্ষোভ মিছিলটি খিদিরপুর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে টায়ার জালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের পদত্যাগ দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। এবং প্রশাসনের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা কর্মসুচি স্থগিত করেন এবং  মানববন্ধন শেষ করেন। তবে এর সুষ্ঠু বিচার না হলে পরবর্তীতে কঠোর আন্দোলন ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। ঘটনার বিবরণ সূত্রে  জানা গেছে, মোবাইল ফোন রাখার অপরাধে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে  ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জেসমিন আক্তার জেমিকে ডেকে নিয়ে কমনরুমে আটকে রেখে বেধরক মারপিট ও বেত্রাঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এঘটনার পরিপেক্ষিতে ওই ছাত্রী অপমান সহ্য করতে না পেরে ঘটনার এক সপ্তাহ পরে রবিবার ৯ নভেম্বর সকাল সাড়ে আটটার সময় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়  বলে অভিযোগ পরিবারের। বিষয়টি এলাকায় ছাত্র অভিভাবক ও এলাকার সচেতন মহলের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাটি ঘটেছে খিদিরপুর শহীদ আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ে। উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের হাতিগাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের মেয়ে খিদিরপুর শহীদ আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী জেসমিন আক্তার জেমি। গত ২ নভেম্বর একটি বাটন মোবাইল ফোন নিয়ে ক্লাসে প্রবেশ করেন । এসময় ক্লাস শিক্ষিকা মিনোয়ারা খাতুন শিক্ষার্থী জেমি খাতুনের কাছে মোবাইল ফোন  দেখতে পেয়ে ক্লাস রুমে ব্যাপক অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ ও অপমান অপদস্ত করে। পরে খন্ডকালিন শিক্ষিকা সালাম খাতুন শিক্ষার্থী জেমি খাতুনকে ফ্লিমস্টাইলে ক্লাস রুম থেকে ডেকে কমনরুমে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে বেত দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে শিক্ষার্থী জেমির শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক আঘাত ও জখম করে এবং অপমান অপদস্ত করে স্কুল থেকে বের করে দেয়। পরে শিক্ষিকার এই বেধরক মারপিট ও অপমান সহ্য করতে না পেরে শিক্ষার্থী জেমি ঘটনার দিন বিকেলে দাদির বাড়িতে গিয়ে ঘাস মারা বিষপান করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে জেমির পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে প্রথমে জেমিকে আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অবস্থা অবনতি ঘটলে তাকে  পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা আরও বেগতিক হলে চিকিৎসক চার দিন পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে।  সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ নভেম্বর সকাল সাড়ে আটটার সময় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। নিহত জেমির পিতা জাহাঙ্গীর হোসেন আহাজারি করে বলেন, আমার মেয়েকে মাস্টার মিনোয়ারা খাতুন ও সালমা খাতুন স্কুল রুমের মধ্যে আটকে রেখে বেত দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পিটে ড্যানায় মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে ।আমি ওই দুই শিক্ষকের ফাঁসি চাই।  এবিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মিনোয়ারা ও সালমা খাতুনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া  যায়। এব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ বিষয়ে আটঘরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শফিকুজ্জামান সরকার বলেন অভিযোগ হাতে পায়নি পেলে  সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক মাতৃজগত    
Developed By Bangla Webs
banglawebs999991