রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩, ১০:০৩ অপরাহ্ন
ঘোষনা
রাজশাহী সারদা পুলিশ একাডেমিতে সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৌলতপুরে চৈতালি-তে বাড়ছে গম-ভুট্টা-সরিষা সন্দ্বীপ থানা পুলিশের অভিযানে তিন ঘন্টার মধ্যে চোর আটক। ত্রিশালে একতা ব্রিকস ভাটায় অবাধে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ স্ত্রী প্রাইমারী স্কুলে চাকুরী করে,স্বামী ভূয়া নিয়োগ দেখিয়ে টাকা নিতেন গাইবান্ধায় রাইচ কুকার বিস্ফোরন ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সরকারি সহায়তা প্রদান। সাভারে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সিরাজগঞ্জ সদরে ৪৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব-১২। রিপোর্টার্স ক্লাব’র ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নেশা জাতীয় ইনজেকশনসহ স্বামী- স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।

গাইবান্ধায় একমাত্র দৃষ্টি প্রতিবন্ধী স্কুল ৯ বছর ধরে শিক্ষার রিসোর্স শিক্ষকের পদ শূন্য যেন দেখার কেউ নেই।

রানা ইস্কান্দার রহমান
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ এপ্রিল, ২০২২
  • ৯১ বার পঠিত

গাইবান্ধা জেলা ব্যুরো প্রধানঃ
৯ বছর ধরে গাইবান্ধা সমন্বিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষা কার্যক্রমের রিসোর্স শিক্ষকের পদ পূরণ হচ্ছে না। ফলে গুরুত্বপূর্ণ ওই পদে কর্মকর্তা না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদানসহ দাপ্তরিক বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

জানা গেছে, সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন গাইবান্ধা সমন্বিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৭৬ সালে। এর কার্যালয় গাইবান্ধা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভেতরে হোস্টেল সংলগ্ন। এই দপ্তরের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা রিসোর্স শিক্ষক বদলি হন ২০১৩ সালের ২৮ জুন। তারপর থেকে পদটি শূন্য রয়েছে। তবে হাউজ প্যারেন্ট কাম টিচার, কুক কাম অ্যাটেনডেন্ট ও নিরাপত্তা প্রহরী পদে তিনজনই কর্মরত রয়েছেন। তাদের মধ্যে হাউজ প্যারেন্ট কাম টিচার গত ২৪ মার্চ থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন রিসোর্স শিক্ষকের।

আরও জানা যায়, ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুদের এখানে ভর্তি করা হয়। এরপর অ্যাকাডেমিক শিক্ষা অর্জনের জন্য তাদের ভর্তি করা হয় মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন কলেজে। ১০টি আসনের মধ্যে বর্তমানে শিক্ষার্থী রয়েছে চারজন। প্রত্যেকে এখানে আবাসিক থাকেন। তারা পান সরকারি বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা। এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে ২১ জন। তাদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ছয়জন এবং এইচএসসিতে চারজন। বর্তমানে জিপিএ-৫ পাওয়াদের মধ্যে চারজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পড়ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।

রিসোর্স শিক্ষকের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা হাউজ প্যারেন্ট কাম টিচার মো. রিয়াজুল হক বলেন, রিসোর্স শিক্ষক ব্রেইল পদ্ধতিতে পাঠদান করাবেন। কোনো শিক্ষার্থীর কি সমস্যা তা শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ পুনর্বাসনে সহায়তা করবেন। খাবারের মান সঠিক আছে কিনা তা যাচাই করবেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণসহ দাপ্তরিক অন্যান্য দায়িত্ব পালন করে থাকেন রিসোর্স শিক্ষক।

তিনি আরও বলেন, রিসোর্স শিক্ষক না থাকায় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হচ্ছে। সব চাপ একা আমাকে সামলাতে হচ্ছে। যেমন, কোন এলাকায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী খুঁজতে বের হলে দপ্তর কর্মকর্তা শূন্য হয়ে পড়ে। সেইসাথে ছুটিতে থাকলে বা দাপ্তরিক কাজে বাহিরে গেলে তখন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকে। তাই তাদের একা রেখে ঠিকমতো বাহিরে গিয়েও নিশ্চিন্তে থাকতে পারি না।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফজলুল হক বলেন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এখানে গুরুত্বপূর্ণ পদটি শূন্য থাকায় এর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। শূন্যপদে জনবল চেয়ে প্রতিমাসেই আবেদন করা হচ্ছে। কিন্তু কাউকে পদায়ন করা হচ্ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক মাতৃজগত    
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Bangla Webs
banglawebs999991