শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ১২:১৩ অপরাহ্ন
ঘোষনা
যশোরে বিদেশী পিস্তল, গুলি ও বার্মিজ চাকু সহ গ্রেফতার ০১ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ করে  রংপুরে নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদের দাফন সম্পন্ন দেশের সব স্কুল-কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা গোমস্তাপুরে বিএমডিএ গোমস্তাপুর জোনাল অফিস ভবন নির্মাণ কাজের  শুভ উদ্বোধন  ফরিদপুর শহরের আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাত্রীদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কারাগারে মুরাদনগরে মাদককে “না” বলি সামাজিক সচেতনতা ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ি কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ফরিদপুর মেডিকেলের পরিচালককে প্রত্যাহারের দাবিতে সড়ক অবরোধ ফরিদপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা সাত বছর পালিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না সবুজের

গ্রাম বাংলার পল্লীকবি জসীমউদ্দিন এর প্রয়াণ দিবস আজ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪
  • ৭২ বার পঠিত

 

জাহাঙ্গীর আলম, স্টাফ রিপোর্টার:   আজ পল্লীকবি জসীমউদ্দীন এর প্রয়াণ দিবস। তিনি ১৩ মার্চ ১৯৭৬ সালে প্রয়াত হন। তাঁর অন্তিম ইচ্ছেতে ১৪ মার্চ ফরিদপুরের অম্বিকাপুর গ্রামে তাঁর দাদীর কবরের পাশে কবর দেওয়া হয়।

পিতা আনসারউদ্দীন মোল্লা ফরিদপুর শহরের হিতৈষী পাঠশালার শিক্ষক ছিলেন। জসীমউদ্দিনের ছাত্র জীবনে কবি প্রতিভার বিকাশ ঘটে। তিনি পল্লিকবি বলে খ্যাত।
তাঁর রচিত ‘কবর’ এক অসাধারণ খ্যাতি অর্জন করে। তিনি কবিতার পাশাপাশি গান, উপন্যাস, নাটক ও ভ্রমণকাহিনী প্রভৃতি রচনা করেন। জসীমউদ্দীন আবহমান বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে লালিত এক আধুনিক কবি। ঐতিহ্যবাহী বাংলা কবিতার মূল ধারাটিকে নগরসভায় নিয়ে আসার এক অসামান্য কৃতিত্ব জসীমউদ্দীনের। তাঁর নক্সী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বাংলা ভাষার গীতিময় কবিতার উৎকৃষ্টতম নিদর্শনগুলোর অন্যতম। পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় তাঁর কবিতা অনূদিত হয়েছে।

পল্লীকবি জসীমউদ্দীন এর জন্ম : ১ জানুয়ারি ১৯০৩ সালে মাতুলালয়ের তাম্বুলখানা গ্রামে। তাঁর জন্ম জেলা ফরিদপুর এবং মৃত্যু ঢাকাতে।

তিনি যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেন : মেট্রিক ফরিদপুর জেলা স্কুল, আই. এ এবং বি.এ ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ এবং এম. এ (বাংলা ভাষা ও সাহিত্য) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি এম.এ তে পড়ার সময় ড. দীনেশচন্দ্র সেনের আনুকূল্যে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পল্লীগীতি সংগ্রাহক নিযুক্তি লাভ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাবলি : নক্সী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, বালুচর, হাসু, বেদের মেয়ে, মধুমালা, বোবা কাহিনী, পদ্মাপাড় রঙ্গিলা নায়ের মাঝি ও গাঙ্গের পাড় প্রভৃতি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৪৪ সালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক সরকারের পাবলিসিটি বিভাগের কর্মকর্তা নিযুক্ত হন। তিনি পরে পূর্ব পাকিস্তান সরকারের প্রচার বিভাগের Additional Song Publicity Organiser পদে যোগদান করেন এবং ১৯৬২ সালে ডেপুটি ডাইরেক্টর পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। জসীমউদ্দিন প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তি ছিলেন। ষাটের দশকে পাকিস্তান সরকার রেডিও ও টিভিতে রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তিনি সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান। জসীমউদ্দীন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি পান। তিনি বিভিন্ন পদক ও পুরষ্কারে ভূষিত হন। তারমধ্যে উল্লেখ্য একুশে পদক (১৯৭৬)। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট এবং আনসারউদ্দীন মোল্লার কৃতি সন্তান আমদের এই জসীমউদ্দিন। আজ তাঁর নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আবাসিক হল করা হয়েছে। আজ তাঁর প্রয়াণ দিবসে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক মাতৃজগত    
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Bangla Webs
banglawebs999991