শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
ঘোষনা
চরফ্যাশনে তরমুজের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি নওগাঁর সাপাহারে ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৫ নাফ নদী তীরের কেওড়া বাগান থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার ছাতকের আলমপুর মাঞ্জিহারায় খড়ের ঘরে অগ্নিকাণ্ড, ৬ পরিবারের প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া উপদেষ্টার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা নুরুল হক নুরের দায়িত্ব সীমিত, এখন এক মন্ত্রণালয়ে গলাচিপায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদক মামলায় ৬ মাসের সাজা পাঁচবিবিতে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা। সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত কমিশন চাওয়ার কথা অস্বীকার করে পছন্দের গণমাধ্যমকর্মীদের ‘খাম’ দিলেন ভিসি মহেশপুর সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল ও ভারতীয় ওষুধ জব্দ সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে ১২ লাখ টাকার পন্য আটক কালিগঞ্জে দুই সন্তানের জননীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শ্রীপুর পৌর বিএনপির সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন বেপারীর পক্ষ থেকে মাওনা চৌরাস্তা ছিন্নমূলদের মাঝে ইফতার বিতরণ কালীগঞ্জে মোবাইল কোর্ট অভিযান: মাদক সেবন ও বিক্রেতাদের কারাদণ্ড, ধ্বংস হলো জব্দকৃত গাজা নাটোরে খুচরা সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান সুরেশ্বর দরবারে খুনের রহস্য: পীর শাহীন নূরী আটক গাইবান্ধায় বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ মোটরসাইকেল জব্দ, চালক পলাতক খুচরা সার বিক্রেতাদের বহাল রাখা ও নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান। 

জিআই পণ্যের মর্যাদা পেল রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ২৫৩ বার পঠিত

 

মোঃ আফ্ফান হোসাইন আজমীর, রংপুর ব্যুরো প্রধানঃ রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আমসহ আরও চারটি পণ্যকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়ে জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে। পণ্য চারটি হলো— রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম, মৌলভীবাজারের আগর, মৌলভীবাজারের আগর আতর ও মুক্তগাছার মন্ডা। এ নিয়ে বাংলাদেশে অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮টি। সোমবার শিল্প মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

জানাগেছে, রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পদাগঞ্জ, খোড়াগাছ এলাকা হাঁড়িভাঙ্গার জন্য বিখ্যাত। এই খোড়াগাছ ইউনিয়নের তেকানি এলাকার আমজাদ হোসেনের বাবা নফল উদ্দিন পাইকার প্রায় ৮০ বছর আগে মূল হাঁড়িভাঙা আম গাছটির রোপন করেছেন। তিনি বালুয়া মাসিমপুর এলাকার জমিদার তাজ বাহাদুর সিংহ সৌখিন ছিলেন। তার কয়েকটি বাগান ছিল। সেই জমিদারের কাছ থেকে পেশাদার ব্যবসায়ীরা আম কিনে পদাগঞ্জ হাটে বিক্রি করতো। সেই আম কিনে আনেন তার বাবা নফল উদ্দিন পাইকার। আম খেয়ে মাটির হাঁড়ির ভিতর থেকে আমের গাছ বের হয়েছে বলে তার নাম দেয়া হয় হাঁড়িভাঙ্গা। এর পরেই তিনি করম চারা করে তা বিক্রি করেন। বর্তমানে মূল হাঁড়িভাঙ্গা গাছটি বেঁচে রয়েছে ও ফলও দিচ্ছে। তবে ১৯৯২ সালে হাঁড়িভাঙ্গার সম্প্রসারণ শুরু হয়। বর্তমানে দেড় হাজার হেক্টও জমিতে এই আম চাষ হয়। রংপুরের তৎকালীন জেলা প্রশাসক আসিব আহসান এই হাঁড়ি ভাঙ্গা আমের জিআই পণ্য হিসেবে মর্যাদার জন্য চেষ্টা করেছেন। তিনি লিখিতভাবে সে সময় মন্ত্রনালয়কে জানিয়েছেন। তার ফলশ্রম্নতিতে গতকাল বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে।

জানাগেছে,২০০৩ সালে বাংলাদেশে এ কাজের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে একে পেটেন্ট, শিল্প—নকশা ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) নামে অভিহিত করা হয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগের ফলে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন, ২০১৩ পাস হয়। এর দুই বছর পর ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য বিধিমালা, ২০১৫ প্রণয়ন করা হয়।

২০১৬ সালে জামদানি শাড়িকে বাংলাদেশে প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপর স্বীকৃতি পায় আরও ২০টি পণ্য।

সেগুলো হলো— বাংলাদেশের ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম, বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুর কাটারীভোগ, বাংলাদেশ কালিজিরা, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহী—চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, বাংলাদেশের শীতল পাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলশীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই ও কুষ্টিয়ার তিলের খাজা।

স¤প্রতি অনুমোদিত তিনটি পণ্য টাঙ্গাইল শাড়ি, নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা ও গোপালগঞ্জের রসগোল্লার অনুমোদনের কপি ও জার্নাল গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা। এতে জিআই পণ্যের সংখ্যা হয় ২৪টি। আজ ৪টি জিআই পণ্যের জার্নাল প্রকাশিত হওয়ায় মোট অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮টি।

এছাড়া আরও দুটি পণ্য জিআই পণ্য হিসেবে অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সেগুলো হলো— জামালপুরের নকশিকাঁথা এবং যশোরের খেজুর গুড়। আগামী সপ্তাহে এই দুটি পণ্যের জার্নাল প্রকাশিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক মাতৃজগত    
Developed By Bangla Webs
banglawebs999991