রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
ঘোষনা
প্রতিটি জেলা থেকে ট্যালেন্ট হান্ট চালু করবে বিএনপি – আমিনুল হক গলাচিপায় যৌথবাহিনীর অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি নকল সিগারেট উদ্ধার শ্রীপুরে, ৪ দফায় পুলিশের গাড়িতে হামলা করে, শীর্ষ সন্ত্রাসী মোঃ সুমন মিয়া’কে ছিনিয়ে নিল তার সহযোগীরা দুর্বৃত্তরা। অপরাধীর অপরাধের সর্গরাজ্য ধ্বংস করার জন্য কলমই সর্বশ্রেষ্ঠ অস্ত্র। টাঙ্গাইলে প্রমিত বাংলা ভাষার প্রয়োগ শীর্ষক দুদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত গোপালপুরে উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের কমিটি পরিচিতি ও মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বেলকুচিতে ইসলাম ধর্ম অবমাননাকারী নাস্তিকদের শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত গলাচিপায় খাল থেকে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজা সহ ১জন গ্রেফতার হাজীগঞ্জে কাবার ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল যুবকের, আহত আরও একজন নুরুল হক নুরের উপর হামলার প্রতিবাদে গলাচিপায় মশাল মিছিল স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি চর দশশিকা গ্রামে জাপা-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে ভোরের কাগজের সাংবাদিক মারুফ আহত ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৩১দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নবীনগরে নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপি’র কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত । ঝিনাইদহের নবীন শিল্পী শামীমকে নতুন মোবাইল উপহার দিলেন বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)–এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মানবতার ফেরিওয়ালা খান সেলিম রহমান। কোটালীপাড়া দুই সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা,বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)–এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ক্ষোভ প্রকাশ। মহাদেবপুর সাংবাদিক সাজুর উপর ন্যাক্কারজনক হামলা বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)– তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশন ভবনের দোকান দখলের অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন; আশিকুল আলম লিটু ষড়যন্ত্রকারীদের সতর্কবার্তা দিলেন আমিনুল হক জলঢাকায় তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের উপর অতর্কিত হামলা

নওগাঁয় ২৫০শয্যা জেনারেল হাসপাতাল জনবল ও অবকাঠামো সংকটে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ২২১ বার পঠিত
সোহেল রানা স্টাফ রিপোর্টারঃ  নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের প্রশাসনিক অনুমোদন কাগজ কলমে না থাকলেও রয়েছে শুধু মুখে মুখে। তাই সেবা কার্যক্রম চলছে পূর্বের ১০০ শয্যার লোকবল দিয়ে। এতে চিকিৎসক সংকটে ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্যসেবা।
স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে দ্রত জনবল নিয়োগসহ অবকাঠামো প্রদানের দাবী কর্তৃপক্ষসহ জেলাবাসীর। জানা যায়, জেলার ১১টি উপজেলার জনসংখ্যা প্রায় ২৮ লাখ। চিকিৎসাসেবা প্রদানে ১৯৬৯ সালে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট নওগাঁ সদর হাসপাতাল চালু হয়।
এরপর ২০১৩ সালে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। পরবর্তীতে প্রায় ২০ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে আরো ১৫০ শয্যা বিশিষ্ট ৮ম তলা ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। বর্তমানে ভবনটির কাজ সম্পূন্ন হয়েছে। পুরনো ভবনের সাথে নতুন ১৫০ শয্যা ভবন যুক্ত হয়ে ২৫০ শয্যায় উন্নীত হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় থেকে ২০২০ সালের ৩১ আগষ্টে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের কার্যক্রম চালানোর জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়ার কথা থাকলেও তা এখন শুধু মুখে। বাস্তবে এর কোন রুপ নাই। পূর্বে যে জনবল দিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হতো ২৫০ শয্যার ক্ষেত্রেও তাই।
জেনারেল হাসপাতাল হওয়ার পর থেকে সেবা নিতে বেড়েছে রোগীর সংখ্যা। জেলাবাসীর ভরসার একমাত্র আস্থা এ হাসপাতাল। উপজেলা থেকে সেবা নিতে আসেন রোগীরা। তবে হাসপাতালের কেবিনগুলোর কার্যক্রম শেষ হলেও সেগুলো চালু হয়নি। এতে সরকার যেমন একদিকে রাজস্ব হারাচ্ছে অপরদিকে চিকিৎসাসেবা বি ত হচ্ছে জেলাবাসী। হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বাড়ার পর জেলাবাসীর স্বপ্ন ছিল চিকিৎসা সেবার মান বাড়বে।
কিন্তু বাস্তবে তার উল্টো চিত্র। ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল হলেও কার্যক্রম চলছে ১০০ শয্যার লোকবল দিয়ে। আবার ওই ১০০ শয্যার জন্য যে পরিমান চিকিৎসক প্রয়োজন সেটাও নেই। এতে করে বাড়তি রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসকরা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ১০০ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসক থাকার কথা ৪৫জন সেখানে রয়েছে মাত্র ২৪জন ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ রয়েছে ১৩০জন সেখানে রয়েছে মাত্র ৫৭জন এবং নার্সের পদ রয়েছে ৮১জন সেখানে রয়েছে মাত্র ১৭ জন। প্রতিদিন আউটডোরে ১ হাজার থেকে ১২শ এবং ইনডোরে দুই শতাধিক রোগীর চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।
নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ জাহিদ নজরুল ইসলাম বলেন, ২৫০ শয্যার হাসপাতাল বলা হলেও এখন পর্যন্ত অনুমোদন রয়েছে ১০০ শয্যার। তবে এ ১০০ শয্যা হাসপাতাল চালাতে যে পরিমান জনবল দরকার তা এখানে নেই। এতে করে চিকিৎসা সেবা ব্যহত হচ্ছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হলেও এখন পর্যন্ত সাড়া পাওয়া যায়নি। অনুমোদন পাওয়া গেলে ডাক্তার, সেবিকা, ঔষধ ও অবকাঠামোসহ সবকিছু দ্বিগুন হবে, সেবার মান বাড়বে। তিনি আরো বলেন, নওগাঁ মেডিকেল কলেজের নিজস্ব কোন ভৌত অবকাঠামো না থাকায় হাসপাতালের পুরাতন ভবনের ২য় তলায় তাদের কার্যক্রম চলছে। এ ভবন থেকে মেডিকেল কলেজ সরানোর প্রয়োজন। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর পর পুরাতন ভবনে মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
২৫০ শয্যার পূর্নাঙ্গ অনুমোদন, জনবল নিয়োগ এবং অবকাঠামোগত সুবিধা দেওয়া হলে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান বাড়ার পাশাপাশি জেলাবাসীদের দূর্ভোগ লাঘব হবে এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক মাতৃজগত    
Developed By Bangla Webs
banglawebs999991