বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০১ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা
ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৫, ময়মনসিংহ ইউনিটে পুলিশের বিভাগীয় অধস্তন পুলিশ সদস্যদের পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২২খ্রিঃ এর ক্যাম্প প্রশিক্ষণ মূল্যায়ন সম্পন্নকরণ ।                                                                             সিরাজগঞ্জে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।  শাহজাদপুরে শিশু সালামকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে যুবকের মত্যুদণ্ড। শ্রীপুরে রানার লাশ রাস্তায় রেখে মানববন্ধন (২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামি গ্রেফতারের দাবি)। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বাঁশ কাটতে গিয়ে  বিদ্যুৎস্পষ্টে এক ব্যক্তির মৃত্যু। চাঁদপুরে অবিবাহিত আওয়ামীলীগ নেতা রফিকুল্লাহ হত্যাকারী ১৬ বছরের অমিত দাশ অত:পর অমিতের আত্মহত্যা? কলাপাড়ায় সড়কেই মহিষের আবসস্থল মানুষের দুর্ভোগ চরমে। নেত্রকোনা দুর্গাপুরে ৩ দিন ব্যাপী কৃষি মেলা শুরু  নওগাঁয় ১২০ হেক্টর জমিতে শিম চাষ অধিক লাভের আশা চাষিদের একাধিক মামলার আসামী ঝালকাঠির বিতর্কিত মোল্লা সাওন জেলহাজতে

বাউফলে কারখানা নদী ভাঙন মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে কাছিপাড়া

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১০ জুন, ২০২২
  • ৪১ বার পঠিত

মোঃ আশিকুর রহমান তুষার, বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:-

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কাছিপাড়া ইউনিয়নের কারখানা নদীর বাহেরচর থেকে পশ্চিম কাছিপাড়া (গোপালিয়া) পর্যন্ত আনুমানিক সাড়ে তিন কিলোমিটার নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে।

এতে দিন দিন বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও গাছপালা। ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন বাহেরচর থেকে গোপালিয়া তীরবর্তী মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাহেরচর থেকে গোপালিয়া পর্যন্ত বাহেরচর ও গোপালীয়া দুটি বাজার, তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় , একটি মাদ্রাসা সহ তিনটি সাইক্লোন সেল্টার রয়েছে।

নদী ভাঙ্গনের কবলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সাইক্লোন সেল্টার, সরকারি ভবন সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো।

ভাঙ্গন কবলিত গোপালিয়া গ্রামের সামিম বলেন, দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ভাঙন চলছে। হাজিপুর নামের একটি গ্রাম সহ বাহেরচর থেকে গোপালিয়া পর্যন্ত শত শত ঘরবাড়ি নদীতে চলে গেছে। আমরা এখন নিঃস্ব। নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে ভাঙন আরও বাড়বে।

গোপালিয়া গ্রামের ইউনুস প্যাদা নামের আরেকজন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার বয়স ৫০ বছর। আমি পেশায় একজন কৃষক ,আমাদের জমিজমা, কাঠবাগান, ঈদগাহ মাঠ সবকিছুই ভেঙে গেছে। সরকারও কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি। রাতে ঘুমাতে পারি না, কখন ঘরটা ভেঙে যায়। বসতবাড়ি ভেঙে গেলে ঘর তোলার আর কোন জমি নেই। রাস্তায় পাশে গিয়ে থাকতে হবে”

এ সময় নদী ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে থাকা অসহায় পরিবার গুলো বাউফলের ইউএনও মহোদয়, বাউফলের এমপি মহোদয় ও প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন আমরা টাকা চাইনা, সরকারি ঘর চাইনা, সরকারি জমি চাইনা, আমাদের একটাই চাওয়া দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন নদী ভাঙ্গন বন্ধের সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করে বাপদাদাদার ভিটেমাটিতে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক মাতৃজগত    
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Bangla Webs
banglawebs999991