শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে ব্যাপক গণসংযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হৃদরোগজনিত সমস্যায় সাবেক মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা হাসপাতালে ভর্তি চুয়াডাঙ্গা–২ আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি নিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় বক্তব্য রাখলেন এমপি প্রার্থী মোঃ রুহুল আমিন গোমস্তাপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম বাইরুল ইসলাম এর প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির আনন্দ মিছিল ঝিনাইদহে মোবারকগঞ্জ চিনিকলে ৫৯তম আখ মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন বগুড়ায় বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মানবতার ফেরিওয়ালা খান সেলিম রহমানের ৪৮তম জন্মদিন উদযাপন ঝিনাইদহে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত সড়ক দুর্ঘটনায় ঝাউদিয়ার দুই মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত ইবি, কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়ক ঝিনাইদহে অজ্ঞাতনামা এক নারী অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার, পরিচয় জানতে পুলিশ-জনতার সহায়তা প্রয়োজন ঝিনাইদহে স্বপ্নচূড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ ঝিনাইদহে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু: বিদ্যুৎস্পৃষ্ট নাকি অন্য কিছু? খান সেলিম রহমান এর শুভ জন্মদিন উপলক্ষে মাতৃজগত পরিবারের উদ্যোগে জন্মদিনে আনন্দ, শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছার বর্ণিল সমারোহ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত একদন্তে আব্দুল কাদের গার্লস স্কুলে ১১ শিক্ষার্থীর মাঝে পবিত্র কোরআন বিতরণ ঝিনাইদহের সাগান্না ইউনিয়নে সেনাবাহিনীর অভিযান অবৈধভাবে সার মজুদ রাখায় ব্যবসায়ী কে জরিমানা তানোরে দুই বছরের সাজিদের করুণ মৃত্যুতে স্তব্ধ পুরো গ্রাম ফরিদগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টির লক্ষ্যে ব্যাপক গণসংযোগ সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ সুপার এর মতবিনিময়: ময়মনসিংহে হিজলা সিন্ডিকেটের ভয়ঙ্কর দৌরাত্ম্য বরযাত্রীর গাড়ি টার্গেট, নারী–শিশুকে হেনস্থায় ক্ষোভ ও আতঙ্ক বাড়ছে

বিআরটিএতে দালালি ও অপকর্মে আনসার কমান্ডার ফারুক জড়িত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৫ মে, ২০২৫
  • ১২৮ বার পঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টার খাইরুল ইসলাম

রাজধানীর মিরপুর বিআরটিএ অফিসে দালালদের পাশাপাশি অপকর্মে জরিত নিরপত্তার দ্বায়িত্বে থাকা আনসার কমান্ডার মো. ফারুক।

তার সদস্য বাহিনীরা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।অনুসন্ধানে আরও জানা যায় সপ্তাহে দাললদের জন প্রতি ৫০০ টাকা করে নেয় এই আনসার কমান্ডার। দালালদের নিয়ন্ত্রন করে দালালদের কাছ থেকে মাসে ২ থেকে আড়াই লাখ টাকা হাতিয়ে নেন পিসি মো: ফারুক । এবং নিজস্ব আনসার সদস্যদের দিয়ে বিভিন্ন ধরনে গাড়ীর কাগজ – পত্র ঠিক করার মাধ্যমে সদস্যদের কাজ থেকে প্রতিদিন ১০ /১২ হাজার করে নিয়ে থাকেন বলে তাদের অভিযোগ। নাম না প্রকাশে শর্তে একজন দালাল বলেন, আমরা ৮০থেকে ৯০ জন মিলে এখানে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কাজ করি। এই কাজের বিনিময়ে আনসার কমান্ডারকে মাসে ২ থেকে আড়াই লাখ টাকা দিতে হয়।

এই টাকা গুলো আনসারের এপিসির এর কাছে দিতে হয়। দালাল আরো বলে, টাকা না দিলে আমাদেরকে ভেতরে ঢুকতে বা কাজ করতে দেয় না।এবং আমাদের লকাপে ভরে রাখে, এবং জেল এর ভয় দেখিয়ে জরিমানার নাম করে মোটা আংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে পিসি মো. ফারুক।

তিনি আরও বলেন, আমাদের কাজের পাশাপাশি আনসার সদস্যরাও এইসব কাজে জড়িত। ৩০ জন আনসার সদস্য এখানে রয়েছে। এমনকি আনসার সদস্যরা প্রতিদিন কাজ করে। তারা হলেন, মো:হানিফা,মো:আনিছ,মো:রশিদ,মো:হাচানূর,মো:সেলিম, মো:আতিকুর,মো:আলিম,মো:সাজ্জাদ, সহ আরো অনেক সদস্যরা বিআরটিএ’র কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে একে পর এক কাজ করে যাচ্ছে। তাদের জন্য আমরা বেশী একটা কাজ করতে পারি না। তার পরও আনসার কমান্ডারকে সপ্তাহ হিসেবে বা মাস হিসেবে টাকা দিতে হচ্ছে।

কাজ হক বা না হক টাকা পরিশোধ করতেই হবে।বিআরটিএ অফিসে সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়তে হয়, বাধ্য হয়ে নিতে হয় দালাল বা আনসার সদস্যদের সহযোগিতা।বর্তমানে সাবেক অনসার সদস্য ৪০ থেকে ৫০ জন প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছে। এবং প্রতি সপ্তাহে জন প্রতি কমান্ডার কে দিচ্ছে ১০০০ হাজার টাকা করে। বুধবার সকালে মিরপুর বিআরটিএ অফিসের বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় কথা হয় অনেকের সঙ্গে। এ সময় ভুক্তভুগী মেহেদী হাসান, নয়ন, মাসুদ, ও জামান একই অভিযোগ করেন। ভুক্তভুগীদের অভিযোগ, একদিকে আসতে হয় অনেক দূর থেকে, রাস্তায় থাকে যানজট শুক্রবার ও শনিবার বন্ধ হওয়ায় কর্মসংস্থানের পাশাপাশি ডিজিটাল নাম্বর প্লেট লাগাতে হচ্ছে মোটরসাইকেলে। বিআরটিএ অফিসে পর্যাপ্ত লোকবল থাকার পরেও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

একদিকে থাকে পেটের চিন্তা অন্যদিকে ডিজিটাল নাম্বর লাগাতে হবে, অন্যথায় ট্রাফিক পুলিশ বিভিন্নভাবে হয়রানি করবে এবং মামলা দেয়। এক সপ্তাহ যদি এভাবেই সময় যায় তাহলে পেটের চিন্তা করব না ডিজিটাল নাম্বর প্লেট লাগাব? এমন অনেক ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ডিজিটাল নাম্বর প্লেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, এবং ট্যাক্সটোকেন নিতে পড়তে হয় বিভিন্ন ভোগান্তিতে। দালাল ধরলে এ সব আগেই সুন্দর মতো এবং সঠিক সময়ে পাওয়া যায়। নিয়ম অনুযায়ী এ সব সেবা নিতে গেলে সময় ও কর্ম দুইটোই নষ্ট হচ্ছে। বিআরটিএ অফিসে গেলে দালালের খপ্পরে পড়তে হয় এবং নানা ধরনের জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

পেশাদার ট্রাক চালক জাবেদুল ইসলাম বলেন, বিআরটিএ-এর অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দালাল এবং আনসারদের মধ্যে যোগসাজশের কারণে সেবাগ্রহীতাদের এ সব ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।ভোক্তভুগীরা বলছেন, দালাল ছাড়া লাইসেন্স পাওয়ার চেষ্টা করাটাও যেন এক ধরনের পাপ। বিআরটি এর সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ে নিতে হয় দালালের সহযোগিতা। দালাল আর টাকা ছাড়া এখানে কোনো কাজ হয় না।মোহাম্মদপুর থেকে বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স ডেলিভারি নিতে এসেছেন মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ। তিনি প্রায় তিন ৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর নিয়ম অনুযায়ী লাইসেন্স হাতে পান।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, অনেকেই টাকা দিয়ে আগেই নিয়েছেন।তিনি বলেন, আর কত কষ্ট দেবে বিআরটিএ। আমাদের সেবামুখী মানুষদের। রাস্তার গাড়ির কাগজ পত্র ঠিক না থাকলে পুলিশ হয়রানি করে। আর বিআরটিএ কাগজ সঠিক সময়ে না দিয়ে আরেক ভোগান্তিতে ফেলে।এদিকে দালাল, টাউট ও প্রতারক হতে সাবধান’। এমন সতর্কবার্তা সম্বলিত সাইনবোর্ড চোখে পড়বে রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ সড়ক পবিরবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) গেট দিয়ে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই। শুধু প্রবেশ ফটকেই নয়, এমন সতর্কবার্তা লেখা আরও অনেকগুলো সাইনবোর্ড সাঁটানো আছে মিরপুর বিআরটিএ এর বিভিন্ন ভবনের দেয়ালে দেয়ালে। কিন্তু এই সতর্কবার্তাকে ছাপিয়ে, বলা যায় বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দালালদের দৌরাত্ম্যই পুরো বিআরটিএ ঝুরেই।

দৈনিক আমার বার্তা পত্রিকায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর দুই আনসার সদস্য ফারুক ও সেলিমকে বদলি করা হলেও এখনো বহলতবিয়তে রয়ে গেছে আনসার কমান্ডার ফারুক এখনো চালিয়ে যাচ্ছে তার দালালি বাণিজ্য দালালদের কাছ থেকে ঘুষ বাণিজ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক মাতৃজগত    
Developed By Bangla Webs
banglawebs999991