শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
ঘোষনা
শ্রীপুরে গুলিতে ফরিদ নামে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় ১টি বিদেশি পিস্তল সহ অভিযুক্ত ইমরান গ্রেফতার ফরিদপুরে গৃহবধূকে অ্যাসিড নিক্ষেপ যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত নওগাঁয় মাদক মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ত্রিশাল থানা পুলিশের সহযোগিতায় ত্রিশালে সংঘটিত ট্রিপল মার্ডারের ভিকটিমদের পরিচয় সনাক্ত, আসমি গ্রেফতার নওগাঁয় শুরু আম পাড়া, আড়াই হাজার কোটি টাকার বিক্রির সম্ভাবনা এমপি আনোয়ারুল আজিমকে যে ভাবে হ-ত্যা করা হয় বিস্তারিত —!! সিরাজগঞ্জে জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবিলীগের উদ্যোগে ২১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত গোমস্তাপুরের নওসিন জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষা সপ্তাহ প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হয়েছে মতিহার থানার অভিযানে ৩ অপহরণকারী গ্রেপ্তার হজে যাচ্ছেন অনন্ত জলিল সঙ্গে ২৫০ জনের টিমের

মেহেরপুরে আলুর ফলন ভাল হলেও দাম নিয়ে বিপাকে চাষীরা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০২২
  • ২২৪ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার মেহেরপুরঃআলু চাষ করে ন্যায্যমূল্য না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন মেহেরপুরের কৃষকরা। উৎপাদন খরচ উঠে আসা দুরের কথা উল্টো বিঘাপ্রতি ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষীদের। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার আলুর ফলন অনেক ভালো হয়েছে। ফলন ভাল হলেও এবার দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে কৃষকরা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মেহেরপুর বড়বাজার কাঁচাবাজারে আলু ৯থেকে ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এই দামে আলু বিক্রি হলেও মাঠে দাম আরো কম। মাঠে ৮ থেকে সাড়ে ৮টাকা টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে, মেহেরপুর সদর উপজেলা গোপালপুর মাঠে গিয়ে শুনা যায় হতাশার কথা। আলু চাষী কামাল হোসেন বলেন আলুর বিজের এবার খুব দাম বেশি ছিল আমরা আলুর বীজ কিনেছি ১২০০ টাকা মণ এক বিঘা জমিতে সাত হাজার থেকে আট হাজার টাকার বিজ লাগে। আলু প্রতি বিঘা জমিতে ৩২ হাজার থেকে ৩৬ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে। বাজারে আলুর যে দাম তাতে এখন বিক্রি করে ২৮ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকার বেশি হচ্ছে না। আরো একজন চাষী বলেন আলুর দাম কম বেশি যাই হোক তুলতে হবে। আমরা চাষী তাই লাভ-লোকসান পানে না তাকিয়ে আমাদের চাষ করতে হই। যদি আলু গুলো সংরক্ষন করার যদি সরকারিভাবে কোন বাবস্তা থাকতো তাহলে আমরা এত লোকসানের মুখে পড়তাম না। একজন আলু চাষি সাথে কথা বলে জানা যায় তিনি বলেন আলুর যে দাম তাতে তুলতে মন বলছে না। দাম ৭ থেকে ৮ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করে কি হয়। আবার আলু তোলা ছাড়া উপায় নাই। কারন ধান লাগাতে হবে। তাই লাভ-লোকসান যাই হোক জমি থেকে আমাদের সরাতে হবে। তা না হলে অন্য আবাদ করা যাবে না। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার খা এর সাথে কথা বলে জানা যায় তিনি বলেন এবার আমাদের মেহেরপুরে বারোশো হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল।চাষীদের নিয়মিত পরামর্শ দেয়া হচ্ছে যেন আলুর ফলন ভালো হয়। এ বছর আলুর ফলন ভালো হয়েছে। বাজারদর ভালো পেলে চাষীরা লাভবান হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক মাতৃজগত    
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Bangla Webs
banglawebs999991