শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা
যশোরে বিদেশী পিস্তল, গুলি ও বার্মিজ চাকু সহ গ্রেফতার ০১ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ করে  রংপুরে নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদের দাফন সম্পন্ন দেশের সব স্কুল-কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা গোমস্তাপুরে বিএমডিএ গোমস্তাপুর জোনাল অফিস ভবন নির্মাণ কাজের  শুভ উদ্বোধন  ফরিদপুর শহরের আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাত্রীদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কারাগারে মুরাদনগরে মাদককে “না” বলি সামাজিক সচেতনতা ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ি কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ফরিদপুর মেডিকেলের পরিচালককে প্রত্যাহারের দাবিতে সড়ক অবরোধ ফরিদপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা সাত বছর পালিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না সবুজের

রাজশাহী কোর্টের চুরি হওয়া ৬০১ নথি উদ্ধারে ব্যর্থ পুলিশ-মামলা সিআইডিতে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১২৫ বার পঠিত

ফারুক হোসেন ব্যুরো প্রধান রাজশাহী:রাজশাহীতে আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের তিন সহকারী কৌঁসুলির (এপিপি) মোহরারের (নকলনবিশ) বাড়ি থেকে মামলার ৬০১ নথি চুরি হওয়ার দেড় বছরেও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। তাই মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে পাঠানো হয়েছে। সিআইডি নতুন করে তদন্ত শুরু করেছেন।

 

গত বছরের ২৪ মার্চ রাতে রাজশাহীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪-এর এপিপি জালাল উদ্দীন, বজলুর রহমান ও সোহেলা আক্তার ডানার মোহরার হোসেন আলীর বাড়ি থেকে মামলার নথি গুলো চুরি হয়। এ ঘটনায় ২৬ মার্চ মোহরার হোসেন আলী নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানায় মামলা করেন। এরপর প্রায় দেড় বছর ধরে পুলিশ তদন্ত করলেও মামলার কূলকিনারা করতে পারেনি।

 

জানতে চাইলে রাজশাহী নগর পুলিশের (আরএমপি) কাশিয়াডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মামলাটি তদন্ত করছিলেন উপপরিদর্শক (এসআই) জীবন চন্দ্র বর্মন। দীর্ঘ সময়ে চুরির রহস্যের কিনারা হয়নি, নথিও উদ্ধার হয়নি। এ কারণে মামলাটি পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনায় সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে। সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কাজী মোস্তাসিন ২০ সেপ্টেম্বর মামলার নথিপত্র বুঝে নিয়েছেন।

 

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, যে ৬০১টি মামলার নথি চুরি হয়েছে, সে গুলো জেলার ৮টি থানায় দায়ের হয়েছিল। এর মধ্যে মোহনপুর থানার ৭০টি, বাঘার ৪২টি, দুর্গাপুরের ৬০টি, বাগমারার ৮১টি, পুঠিয়ার ৭২টি, তানোরের ১১২টি, চারঘাটের ৮৩টি এবং গোদাগাড়ী থানার ৮১টি মামলার নথি ছিল।

 

এর মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়া ১৮৮টি মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথিও ছিল। বাকি গুলো ছিল বিচারাধীন। মামলা গুলোর বেশির ভাগই ছিল মারামারি এবং মাদক-সংক্রান্ত। বাড়িতে নির্মাণকাজ চলছিল বলে নথি গুলো সিঁড়ির পাশে রাখা ছিল তালাবদ্ধ অবস্থায়। চোরের দল সিঁড়িঘরের তালা ভেঙে নথি ছাড়াও লোহার সেলফ ও একটি বাইসাইকেল নিয়ে যায়।

 

রাজশাহী সিআইডির পুলিশ সুপার মো. আবদুল জলিল বলেন, পুলিশ সদর দপ্তর মামলাটি আমাদের তদন্ত করতে দিয়েছে। ইতিমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম আমরা শুরু করেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক মাতৃজগত    
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Bangla Webs
banglawebs999991