বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ১০:১৭ অপরাহ্ন
ঘোষনা
যশোরে বিদেশী পিস্তল, গুলি ও বার্মিজ চাকু সহ গ্রেফতার ০১ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ করে  রংপুরে নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদের দাফন সম্পন্ন দেশের সব স্কুল-কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা গোমস্তাপুরে বিএমডিএ গোমস্তাপুর জোনাল অফিস ভবন নির্মাণ কাজের  শুভ উদ্বোধন  ফরিদপুর শহরের আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাত্রীদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কারাগারে মুরাদনগরে মাদককে “না” বলি সামাজিক সচেতনতা ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ি কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ফরিদপুর মেডিকেলের পরিচালককে প্রত্যাহারের দাবিতে সড়ক অবরোধ ফরিদপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা সাত বছর পালিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না সবুজের

সিরাজগঞ্জ সদরের বহুলীতে সমলয় প্রযুক্তিতে হাইব্রিড বোরো ধানচাষাবাদের উদ্বোধন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৭০ বার পঠিত

 

সাথী সুলতানা ,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের রঘুরগাঁতীতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় রবি মৌসুমে ব্লক প্রদর্শনী স্থাপনের মাধ্যমে হাইব্রিড জাতের বোরো ধানের চাষাবাদ (Synchronize Cultivation) এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয়ের আয়োজনে,

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় বহুলী ইউনিয়নের রঘুরগাঁতীতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনে বোরো ধানের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

এ সময়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। কৃষিতে উৎপাদন ব্যাপক প্রণোদনা ও সহায়তা প্রদান করছেন। কৃষিতে আধুনিককরণ করতে অনেক উন্নতমানের বীজ বিদেশ হতে আনছেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মনোয়ার হোসেন তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে আধুনিকায়ন করতে স্মার্ট কৃষক- কৃষাণী হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। এ সরকার সকল ধরনের সুযোগ -সুবিধা দিয়ে আসছে।

স্বাগত বক্তব্যে রাখেন, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ আনোয়ার সাদাত তিনি বলেন, কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সমলয় প্রযুক্তি ব্যবহার, যান্ত্রিক করনের মাধ্যমে চাষাবাদ করতে হবে। ১০০ জন কৃষক এবার ১৫০ বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড সিনজেন্টা-১২০৪ জাতের বোরো চাষ করবে ।

সনাতন পদ্ধতির চেয়ে সমলয় প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎপাদন খরচ তুলনামূলক অনেক কম হওয়ায় এ পদ্ধতি অনুসরণ করে চাষাবাদে আগ্রহী হচ্ছেন এখানকার কৃষকেরা। সমলয় চাষাবাদ পদ্ধতি হলো একটি নির্দিষ্ট মাঠে একই সময়ে একই জাতের ফসল চাষাবাদের মাধ্যমে ফসলের রোপণ ও কাটার সময় এবং উৎপাদন খরচ কমানো। একই সঙ্গে কৃষকদের সংগঠিত করে নতুন নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করা।
সাধারণত এ পদ্ধতিতে ট্রেতে করে পলিথিনে মোড়ানো হাউজে বীজতলা তৈরি এবং যত্নের সঙ্গে মাত্র ১৮ থেকে ২০ দিনেই রোপণের উপযোগী চারা প্রস্তুত করা যায়। সেইসব চারা রাইস ট্রান্সপ্লান্টারে লাইন লোগো পদ্ধতি ব্যবহার করে রোপণ করা হয় জমিতে। যাতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসে বেড়ে ওঠে ধানের চারা, সুবিধা হয় পরিচর্যায়।
পোকা মাকড়ের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে ব্যবহার করা হবে পার্চিং পদ্ধতি, খরচ কমাতে ব্যবহার করা হবে আধুনিক সেচের এডব্লিউডি (পর্যায়ক্রমিক শুষ্ক ও ভেজা) পদ্ধতি, সার ব্যবহার যথাযথ ও সীমিত করতে ব্যবহার করা

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এস.এম.নাসিম রেজা নুর দিপু , সদর উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল হক ৩ নং বহুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ফরহাদ হোসেন সেখ প্রমুখ ।

এসময়ে আরও বক্তব্যে রাখেন,
উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা কৃষি অতিরিক্ত কৃষি অফিসার শর্মিষ্ঠা সেনগুপ্তা, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ সাঈদী রহমান, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার খন্দকার শফিকুর রহমান, এসএপিপিও মোঃ রেজাউল করিম, এসএএও বহুলী মোঃ তারিকুল ইসলাম, এস. এম. শাহীন আলম, খাগা মোঃ শফিকুল ইসলাম, কালিয়াহরিপুরের হামিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যরা, সদর কৃষি অফিসের উচ্চমান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, কর্মচারী মোঃ হাসেম আকন্দ, এবং রাইস ট্রান্সপ্লান্টারে ধানের চারা রোপণ কার্যক্রম দেখতে বিপুল সংখ্যক কৃষক-কৃষাণীরা উপস্থিত ছিলেন।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে আরো জানায় যায় যে, সাধারণত প্লাস্টিকের ফ্রেমের মধ্যে ৩:২ অনুপাতে কাদা দিয়ে বীজতলা তৈরি করা হয়। এরপর সেখানে বীজ ছিটিয়ে পুনরায় ছাই ও পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখা হয়। একই পলিথিনের ছই বানিয়ে বীজতলা ঢেকে দেওয়া হয়। বীজতলা তৈরির তিন থেকে চারদিনের মাথায় অঙ্কুর বের হয়ে যায়। রাতে পলিথিনে ঢেকে রাখা হয় আর দিনে রোদ উঠলেই পলিথিন সরিয়ে রাখা হয়।

তবে কুয়াশা থাকলে দিনের বেলাতেও পলিথিন সরানো হয় না। জমিতে রোপণ উপযোগী চারা প্রস্তুত হতে ১৮ থেকে ২০ দিন লাগে। এসময় পর্যন্ত গুণগত বীজ উৎপাদনে পলিথিন ব্যবহার করা হয়। আর জীবন চক্রের বেশি সময় জমিতে থাকায় পূর্ণ পুষ্টি পেয়ে ধানের কুশির সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং ধানের পরিমাণও বেশি হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক মাতৃজগত    
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Bangla Webs
banglawebs999991