বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা
অনিয়ম ও দুর্নীতির শীর্ষ পর্যায়ে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারা কর্মকর্তারা ওরা বলে সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিবে সাংগঠনিক সম্পাদক, আফজাল হোসেন মির্জাগঞ্জের বৈদ্যপাশায় ইছালে সওয়াব ও মাহফিল অনুষ্ঠিত। গাইবান্ধা শহরের ‘ছালমা মঞ্জিল’ নামের মেস থেকে গোবিন্দগঞ্জ নিজ বাড়িতে যাবার পথে দুই কলেজ ছাত্রী নিখোঁজের অভিযোগ উঠেছে।  গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নে টিসিবির ডিলারের বিরুদ্ধে কার্ড ছাড়া পণ্য বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের সহযোগিতায় হারিয়ে জাওয়া সন্তান খুঁজে পেলো পরিবার। সাতক্ষীরায় ১৮টি স্বর্ণের বারসহ ১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট পুলিশের পক্ষেই থানা হেফাজতে নির্যাতনে নয়,আসামির মৃত্যু সড়ক দূর্ঘটনায়! সাপাহারে তাঁতইর বাখরপুর কওমী হাফেজিয়া সালাফিয়্যাহ মাদ্রাসায় হিফয সমাপ্তকারী প্রথম শিক্ষার্থীর বিদায় অনুষ্ঠিত তানোরে আট বিঘা জমির ফসল নষ্ট করে দিয়েছে -দুর্বৃত্তরা,

স্কুলপড়ুয়া হওয়ার পাশাপাশি তিনি আইসক্রিম বিক্রেতাও

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৫ মার্চ, ২০২২
  • ১৭১ বার পঠিত

মিনহাজুল হক বাপ্পী,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

ওই কিশোরের নাম সোহাগ ইসলাম। বয়স আনুমানিক ১২ বছর হবে। তার বাবা নুরুজ্জামান আহমেদ একজন ভ্যান চালক। মা ছামছুর নাহার গৃহিণী। যে বয়সে তার হাতে বই নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা , সেই বয়সে একটি দরিদ্র পরিবারে তার বাবা-মাকে আর্থিকভাবে সাহায্য করার জন্য আইসক্রিম বিক্রি করছেন।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার নওদাবাস ইউনিয়নের কেকতীবাড়ি এলাকার কিশোর সোহাগ ইসলাম। সোহাগ স্থানীয় কেকতীবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। তবে এলাকার আর দশজন কিশোরের মতো সে বাস করে না।

অর্থের অভাবে সংসার সামলানোর জন্য সাইকেলের পেছনে আইসক্রিম বক্স নিয়ে প্রতিদিন বের হয় সোহাগ। রোজগারের তাগিদে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আইসক্রিম বিক্রি করেন।

কিশোর সোহাগ বলেন, প্রতিদিন ৩০০ থেকে সাড়ে ৩৫০ টাকায় আইসক্রিম বিক্রি করি। আইসক্রিম কেনার জন্য মালিককে দিতে হয় ২৫০ টাকা। আর বাকি টাকা বাবাকে দিয়ে দেই।

সোহাগ আরও জানান, এর আগে তিনি কখনো আইসক্রিম বিক্রি করেননি। করোনা ভাইরাসের কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় পড়ালেখার পাশাপাশি আইসক্রিম বিক্রি শুরু করি। আমি তখন থেকে আইসক্রিম বিক্রি করছি। এছাড়া বাবা অসুস্থ থাকায় আগের মতো ভ্যান চালাতে পারেনা। তাই লেখাপড়ার পাশাপাশি আইসক্রিম বিক্রি করে যে টাকা আয় হয় তা সংসারের কাজে দেই।

সোহাগের মা ছামছুর নাহার জানান, সোহাগের বাবা যক্ষ্মা রোগী। তাই আগের মত পরিশ্রম করতে পারে না। একা বাড়িতে চারজনের সব খরচ চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই লেখাপড়ার পাশাপাশি আইসক্রিম বিক্রি করে পরিবারকে যে টাকা দেন তাতে বাবার কষ্ট কমে যায়।

কেকতীবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান জানান, করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক শিক্ষার্থী এ কাজে যুক্ত হয়েছে। সোহাগের কথা জানি না। তবে অনুসন্ধানে তাকে স্কুল থেকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করা হবে। সোহাগকে সাহায্য করতে সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক মাতৃজগত    
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Bangla Webs
banglawebs999991