বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা
অনিয়ম ও দুর্নীতির শীর্ষ পর্যায়ে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারা কর্মকর্তারা ওরা বলে সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিবে সাংগঠনিক সম্পাদক, আফজাল হোসেন মির্জাগঞ্জের বৈদ্যপাশায় ইছালে সওয়াব ও মাহফিল অনুষ্ঠিত। গাইবান্ধা শহরের ‘ছালমা মঞ্জিল’ নামের মেস থেকে গোবিন্দগঞ্জ নিজ বাড়িতে যাবার পথে দুই কলেজ ছাত্রী নিখোঁজের অভিযোগ উঠেছে।  গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নে টিসিবির ডিলারের বিরুদ্ধে কার্ড ছাড়া পণ্য বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের সহযোগিতায় হারিয়ে জাওয়া সন্তান খুঁজে পেলো পরিবার। সাতক্ষীরায় ১৮টি স্বর্ণের বারসহ ১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট পুলিশের পক্ষেই থানা হেফাজতে নির্যাতনে নয়,আসামির মৃত্যু সড়ক দূর্ঘটনায়! সাপাহারে তাঁতইর বাখরপুর কওমী হাফেজিয়া সালাফিয়্যাহ মাদ্রাসায় হিফয সমাপ্তকারী প্রথম শিক্ষার্থীর বিদায় অনুষ্ঠিত তানোরে আট বিঘা জমির ফসল নষ্ট করে দিয়েছে -দুর্বৃত্তরা,

হবিগঞ্জ জেলা জুড়ে পানির তিব্র সংকট দেখা দিয়েছে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০২২
  • ৮২ বার পঠিত

হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
হবিগঞ্জের প্রত্যন্ত হাওর অঞ্চল আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং নবীগঞ্জ এক দশক আগেও সারা বছরই এই উপজেলার সাথে জেলা শহরে সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল নৌকা। অথচ পানির ওপরে কচুরিপানার মতো ভেসে থাকা উপজেলাতেই এখন তীব্র পানির সংকট। এই উপজেলাতে ধানী জমিতে পানির চাহিদা এখনও নদী-বিল থেকে মেটানো হলেও খাবার পানির জন্য প্রতিটি গ্রামে চলছে হাহাকার।
হাওরের এই চিত্রই বলে দেয় জেলার অন্য সব উপজেলায় পানির কতটা সংকট।

বিশেষ করে উজান এলাকায় এই সংকটের তীব্রতা আরও বেশি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়- জেলা সদর, শায়েস্তাগঞ্জ, চুনারুঘাট, মাধবপুর, নবীগঞ্জ, বাহুবল উপজেলার নদীগুলো শুকিয়ে গেছে। এছাড়া পানি উঠছে না গভীর নলকুপেও। এমনকি কোন কোন গ্রামে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বেশি নিচে নেমে যাওয়ায় পাম্পের
মাধ্যমেও পানি তোলা সম্ভব হচ্ছে না।

জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমীতি থেকে জানা যায়, নদী ও বিল শুকিয়ে যাওয়ায় বোরো জমিতে সেচের জন্য তোলা হচ্ছে ভুগর্ভস্থ পানি। জেলার ৯টি উপজেলায় ৩ হাজার ৩৬৮টি সেচ প্রকল্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। যার মধ্যেই ৩ হাজারের অধিক প্রকল্পে পানি উঠছে মাটির নিচ থেকে।

স্থানীয়রা বলছেন, বিভিন্ন হাওরে বসানো শক্তিশালী সেচ প্রকল্পগুলো ভ‚গর্ভস্থ পানি টেনে নিচ্ছে। যে কারণে গ্রামের নলকুপগুলোতে পানি ওঠছে না।চুনারুঘাট
উপজেলার এলাকার জালালমিয়া বলেন, ‘আমাদের এলাকায় কোন নদী না থাকায় জমিতে সেচ নিয়া সমস্যা হয়। ১৫ বছর আগে৷ সুতাং নদীতে বাদ দিয়ে ভোর ধানের চাষ করা হয়েছে সুতাং খনন করা হয়নি বিগত ৩০/৩৫ বছর ধরে সুতাং নদী থেকে পানি সেচ দেয়া হতো। কিন্তু এখন সেই সুতাং নদী শাহাজাদীর বাজারের উজান থেকে চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা সিমান্ত ভরাট হয়েগেছে অলিপুর খাল দিয়ে সুতাং নদীতে কোম্পানির ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে আমরা সেচ দিতে পারে না। যে কারণে গ্রামের চারপাশে অনেকগুলো সেচপ্রকল্প বসানো হয়ে। এগুলো মাটির নিচ থেকে পানি টেনে নেয়ায় গ্রামের টিউবওয়েলগুলোতে পানি উঠে না।’

বানিয়াচং উপজেলার সুবিদপুর গ্রামের প্রবিন্দ্র সরকার বলেন, ‘গ্রামের কোন টিউবওয়েলেই পানি ওঠে না। মাঠের মধ্যে একটা টিউবওয়েল আছে সেখানে কিছুটা পানি ওঠে।’

আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শরীফ নগর গ্রামের হামিদা বেগম বলেন, ‘আমাদের এলাকায় কখনো পানির অভাব পড়ব চিন্তাও করিনি। অথচ এখন টিউবওয়েলে পানি উঠে না। নদীও শুকিয়ে গেছে। কয়েক বছর পর হয়তো আর পানিই মিলত না।’

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, ‘চারপাশের নদী-খাল-বিল ভরাট হয়ে যাচ্ছে। মাটির ওপরে পানি না থাকার কারণে মাটি নিচে পানি ধরে রাখতে পারছে না। যে কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। এছাড়া নদী-খাল-বিল শুকিয়ে যাওয়ায় জমিতে সেচের জন্য ভ‚গর্ভ থেকে পানি তোলা হচ্ছে। বিভিন্ন বাসাবাড়িতে মটর বসিয়ে মাটির নিচ থেকে পানি তোলা হচ্ছে। যে কারণে পানির এই সংকট দেখা দিয়েছে। এ বিপর্যয় কয়েক বছর পর আরও ভয়াবহ হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক মাতৃজগত    
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Bangla Webs
banglawebs999991