শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
ঘোষনা
চরফ্যাশনে তরমুজের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি নওগাঁর সাপাহারে ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৫ নাফ নদী তীরের কেওড়া বাগান থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার ছাতকের আলমপুর মাঞ্জিহারায় খড়ের ঘরে অগ্নিকাণ্ড, ৬ পরিবারের প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া উপদেষ্টার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা নুরুল হক নুরের দায়িত্ব সীমিত, এখন এক মন্ত্রণালয়ে গলাচিপায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদক মামলায় ৬ মাসের সাজা পাঁচবিবিতে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা। সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত কমিশন চাওয়ার কথা অস্বীকার করে পছন্দের গণমাধ্যমকর্মীদের ‘খাম’ দিলেন ভিসি মহেশপুর সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল ও ভারতীয় ওষুধ জব্দ সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে ১২ লাখ টাকার পন্য আটক কালিগঞ্জে দুই সন্তানের জননীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শ্রীপুর পৌর বিএনপির সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন বেপারীর পক্ষ থেকে মাওনা চৌরাস্তা ছিন্নমূলদের মাঝে ইফতার বিতরণ কালীগঞ্জে মোবাইল কোর্ট অভিযান: মাদক সেবন ও বিক্রেতাদের কারাদণ্ড, ধ্বংস হলো জব্দকৃত গাজা নাটোরে খুচরা সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান সুরেশ্বর দরবারে খুনের রহস্য: পীর শাহীন নূরী আটক গাইবান্ধায় বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ মোটরসাইকেল জব্দ, চালক পলাতক খুচরা সার বিক্রেতাদের বহাল রাখা ও নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান। 

হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গরু দিয়ে হাল চাষের প্রাচীনতম পদ্ধতি।

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২২
  • ৪০৮ বার পঠিত

মোঃ ফরিদুল ইসলাম রায়গঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃ- একসময় জমি চাষের ঐতিহ্যবাহী একটি চিরায়ত পদ্ধতি ছিলো গরু ও লাঙল দিয়ে জমি চাষ। এটি ছিলো অনেক উপকারী এক পদ্ধতি। কারণ লাঙলের ফলা জমির অনেক গভীর অংশ পর্যন্ত আলগা করতো। গরুর পায়ের কারণে জমিতে কাদা হতো অনেক এবং গরুর গোবর জমিতে পড়ে জমির উর্বরতা শক্তি অনেক বৃদ্ধি করতো।

কিন্তু কালের বিবর্তনে আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার এই ঐতিহ্যটি। দেশের উত্তর জনপদের খাদ্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে লাঙল দিয়ে জমি চাষ এখন আর চোখে পড়ে না। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ছোঁয়ায় হারিয়ে গেছে এই চিরচেনা দৃশ্যটি।

এক সময় দেখা যেত সেই কাক ডাকা ভোরে কৃষকরা গরু ও কাঁধে লাঙল-জোয়াল নিয়ে বেরিয়ে পড়তো মাঠের জমিতে হালচাষ করার জন্য। বর্তমানে আধুনিকতার স্পর্শে ও বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারের ফলে কৃষকদের জীবনে এসেছে নানা পরিবর্তন। আর সেই পরিবর্তনের ছোঁয়াও লেগেছে কৃষিতে। তাই আর সকালে কাঁধে লাঙল-জোয়াল নিয়ে মাঠে যেতে আর দেখা যায় না কৃষকদের।

কৃষি প্রধান বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে গরু, লাঙল ও জোয়াল। আধুনিকতার ছোঁয়ায় হাল চাষের পরিবর্তে এখন ট্রাক্টর অথবা পাওয়ার টিলার দিয়ে অল্প সময়ে জমি চাষ করা হয়। এক সময় দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে কৃষক গরু, মহিষ পালন করত হাল চাষ করার জন্য। আবার অনেকে গবাদিপশু দিয়ে হাল চাষকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে ছিলেন। আবার অনেকে, ধান গম, ভুট্টা, তিল, সরিষা, কলাই, আলু প্রভৃতি চাষের জন্য ব্যবহার করতেন। নিজের সামান্য জমির পাশাপাশি অন্যের জমিতে হাল চাষ করে তাদের সংসারের ব্যয়ভার বহন করত। হালের গরু দিয়ে দরিদ্র মানুষ জমি চাষ করে ফিরে পেত তাদের পরিবারের সচ্ছলতা।

আগে দেখা যেত কাক ডাকা ভোরে কৃষক গরু, মহিষ, লাঙল, জোয়াল নিয়ে মাঠে বেড়িয়ে পড়ত। এখন আর চোখে পড়ে না সে দৃশ্য। জমি চাষের প্রয়োজন হলেই অল্প সময়ের মধ্যেই পাওয়ার টিলারসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে চালাচ্ছে জমি চাষাবাদ। তাই কৃষকরা এখন পেশা বদলি করে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন। ফলে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে গরু, মহিষ, লাঙল, জোয়াল দিয়ে জমিতে হাল চাষ।

উপজেলার খোকশাহাট গ্রামের কৃষক বিনয় রায় বলেন, “ছোটবেলায় হাল চাষের কাজ করতাম। বাড়িতে হাল চাষের বলদ গরু ছিল ৪-৫জোড়া। চাষের জন্য দরকার হতো ১ জোড়া বলদ, কাঠের তৈরি লাঙল, বাঁশের তৈরি জোয়াল, মই, লরি (বাঁশের তৈরি গরু তাড়ানোর লাঠি), গরুর মুখে টোনা ইত্যাদি।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম বলেন, “গরু-মহিষ, লাঙল ও জোয়াল ছিলো কৃষকের আশীর্বাদ স্বরুপ। গরু-মহিষ, লাঙল ও জোয়াল ছিলো আমাদের ঐতিহ্য ও পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতি কৃষি পদ্ধতি। বর্তমান সময়ে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি পুরাতন চাষ পদ্ধতিকে আমূল পরিবর্তন করেছে। অধিক ফলনশীল জাতের ফসল চাষ করে কম সময়ে-অল্প খরচে অধিক লাভবান হচ্ছেন শুধুমাত্র আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ছোঁয়ায়। আগামীতে কৃষিতে আরো পরিবর্তন আসবে যা কৃষকদের ডিজিটাল বানিয়ে দেবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক মাতৃজগত    
Developed By Bangla Webs
banglawebs999991