বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা
অনিয়ম ও দুর্নীতির শীর্ষ পর্যায়ে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারা কর্মকর্তারা ওরা বলে সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিবে সাংগঠনিক সম্পাদক, আফজাল হোসেন মির্জাগঞ্জের বৈদ্যপাশায় ইছালে সওয়াব ও মাহফিল অনুষ্ঠিত। গাইবান্ধা শহরের ‘ছালমা মঞ্জিল’ নামের মেস থেকে গোবিন্দগঞ্জ নিজ বাড়িতে যাবার পথে দুই কলেজ ছাত্রী নিখোঁজের অভিযোগ উঠেছে।  গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নে টিসিবির ডিলারের বিরুদ্ধে কার্ড ছাড়া পণ্য বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের সহযোগিতায় হারিয়ে জাওয়া সন্তান খুঁজে পেলো পরিবার। সাতক্ষীরায় ১৮টি স্বর্ণের বারসহ ১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট পুলিশের পক্ষেই থানা হেফাজতে নির্যাতনে নয়,আসামির মৃত্যু সড়ক দূর্ঘটনায়! সাপাহারে তাঁতইর বাখরপুর কওমী হাফেজিয়া সালাফিয়্যাহ মাদ্রাসায় হিফয সমাপ্তকারী প্রথম শিক্ষার্থীর বিদায় অনুষ্ঠিত তানোরে আট বিঘা জমির ফসল নষ্ট করে দিয়েছে -দুর্বৃত্তরা,

৫ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৪৭ বার পঠিত

জহিরুল হক জহির স্টাফ রিপোর্টার: বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদী ইউনিয়নে ৫ গ্রামের ২০ হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। এতে সবচেয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয় শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের।

চরাদী ইউনিয়নের চরাদী ও ছাগলদী দুই গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে হলতা খাল। হলতা খালের উপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন, চরাদী, হলতা, স্বন্তোসদী,মকিমাবাদ, দক্ষিণ চরাদী ৫ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ সেতু না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হলতা হালের ওপর তৈরি বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হচ্ছে। সাঁকো পার না হলে পায়ে হেঁটে কয়েক কিলোমিটার ঘুরে যেতে হচ্ছে বাজার বা উপজেলা ও জেলা শহরে। বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি ও দুর্ভোগে পড়েছে এই ৫ গ্রামের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিদিন এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে ছাগলদি নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসা, আতাহার উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ, ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ছাগলদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শেরে বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীসহ হলতা বাজার, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে।

ছাগলদি নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার ছাত্র ইমন জানান, এই বাঁশের সাঁকো পার হয়ে মাদ্রাসায় আসার সময় খালে পরে গিয়ে গুরুতর আহত হই দির্ঘদিন হাসপাতালে ছিলাম। আমার একটা কিডনি ড্যামেজ হয়ে গেছে।

ছাগলদি নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপার সাইফুল্লাহ খান জানান, যুগের পর যুগ পার হলেও কেউ খবর নেয়নি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধ সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও খবর নিচ্ছে না। অথচ এই সাঁকো দিয়ে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা আবুল খায়ের মিয়া জানান, সরেজমিনে পরিদর্শন করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক মাতৃজগত    
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Bangla Webs
banglawebs999991