শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০:২১ অপরাহ্ন
ঘোষনা
শ্রীপুরে গুলিতে ফরিদ নামে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় ১টি বিদেশি পিস্তল সহ অভিযুক্ত ইমরান গ্রেফতার ফরিদপুরে গৃহবধূকে অ্যাসিড নিক্ষেপ যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত নওগাঁয় মাদক মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ত্রিশাল থানা পুলিশের সহযোগিতায় ত্রিশালে সংঘটিত ট্রিপল মার্ডারের ভিকটিমদের পরিচয় সনাক্ত, আসমি গ্রেফতার নওগাঁয় শুরু আম পাড়া, আড়াই হাজার কোটি টাকার বিক্রির সম্ভাবনা এমপি আনোয়ারুল আজিমকে যে ভাবে হ-ত্যা করা হয় বিস্তারিত —!! সিরাজগঞ্জে জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবিলীগের উদ্যোগে ২১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত গোমস্তাপুরের নওসিন জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষা সপ্তাহ প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হয়েছে মতিহার থানার অভিযানে ৩ অপহরণকারী গ্রেপ্তার হজে যাচ্ছেন অনন্ত জলিল সঙ্গে ২৫০ জনের টিমের

৭০ শিশুকে মা বাবার কাছে ফেরত দিলেন বিচারক

মোঃ তামিম হাসান জুয়েল
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২১ মার্চ, ২০২২
  • ১৫৫ বার পঠিত

স্টাপ রিপোর্টার সুনামগঞ্জঃ

কারাগারে না পাঠিয়ে জাতীয় পতাকা, ফুল, ডায়েরি ও কলম দিয়ে অভিযুক্ত শিশুদের সংশোধনের জন্য বাবা-মায়ের কাছে ফেরত পাঠিয়েছেন সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এবং শিশু আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন। সোমবার (২১ মার্চ) দুপুরে ৯ টি শর্তে ৫০ মামলায় এসব শিশুদের বাবা-মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়।

জানা যায়, কোমলমতি এসব শিশুদের পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ও ছোটখাট চুরির অভিযোগে মামলায় জড়ানো হয়েছিল। এসব মামলায় শিশুদের আদালতে হাজিরা দিতে হতো। এতে শিশুদের ভবিষ্যত ছিল অনিশ্চয়তার মধ্যে।

অভিযুক্ত শিশু কামরুল ইসলাম বলে, আমরা কোনো দোষ করিনি। আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। আজ আদালত আমাদের বাবা-মায়ের জিম্মায় দিয়েছেন। এতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারব আমরা।

শিশুদের দেওয়া শর্তগুলো হলো- নিয়মিত পড়াশুনার পাশাপাশি প্রতিদিন কিছু ভালো কাজ করা এবং ডায়েরিতে তা লিখে রাখা, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানা, সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা, বাবা-মাসহ গুরুজনদের আদেশ মেনে চলা এবং বাবা-মায়ের সেবাযত্ন ও কাজে সাহায্য করা, নিয়মিত ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা এবং নামাজ আদায় করা, প্রত্যেককে কমপক্ষে ২০টি করে গাছ লাগানো এবং গাছের পরিচর্যা করা, অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করা, মাদক থেকে দূরে থাকাসহ ভবিষ্যতে কোনো অপরাধের সঙ্গে নিজেকে না জড়ানো।

অভিভাবক মো. খোকন মিয়া বলেন, আদালত আমার সন্তানকে কারাগারে না পাঠিয়ে আমার জিম্মায় দিয়েছেন। এজন্য কৃতজ্ঞ আমরা। ৯টি শর্ত যেন আমার সন্তান পালন করে সেদিকে লক্ষ্য রাখব।

৯টি শর্ত পালন করা হচ্ছে কি না তা প্রবেশন কর্মকর্তা মো. শফিউর রহমান পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রতি তিন মাস পরপর আদালতকে জানাবেন।

সুনামগঞ্জের প্রবেশন কর্মকর্তা মো. শফিউর রহমান বলেন, ৯ টি শর্তে আদালত ৭০ শিশুকে পরিবারের কাছে পাঠিয়েছেন। শিশুরা শর্তগুলো পালন করছেন কি না তা আমি দেখাশোনা করব।

নারী ও শিশু আদালতের পিপি হাসান মাহবুব সাদী বলেন, আদালত যুগান্তকারী রায় দিয়েছেন। এই রায়ের মাধ্যমে শিশুরা তাদের আপন ঠিকানা ফিরে পেয়েছে। এর আগেও কয়েকটি মামলায় ১৩৩ জন শিশুকে প্রবেশনের মাধ্যমে পরিবারের জিম্মায় পাঠিয়েছিলেন।

প্রসঙ্গত, এর আগে তিন দফায় ৯৫ মামলায় ১৩৩ জন শিশুকে একইভাবে প্রবেশন দিয়ে মামলা থেকে মুক্তি দিয়ে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ করে দিয়েছিলেন সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এবং শিশু আদালতের বিচারক মোঃ জাকির হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক মাতৃজগত    
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Bangla Webs
banglawebs999991