গাইবান্ধার জেলা ব্যুরো প্রধানঃ
ক্রেতা বিক্রেতারা হাটে এসে যেনো কোন হয়রানির স্বীকার না হয় সেজন্য হাট ইজারাদার এর পক্ষ থেকে ২০০ ভলেন্টিয়ার সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
টাউট বাটপার ও মলম পাটি যেনো হাটে ঢুকতে না পারে সেদিকে সর্বচ্চ নজরদারি রাখা হয়েছে বলে জানান হাট পরিচালনা কমিটি।
গাইবান্ধা জেলায় আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ২ লাখ ২ হাজার ৯৪৪টি পশু প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এর মধ্যে গরু ৫৬ হাজার ৯৮২ ও ছাগল-ভেড়া ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৬২টি।
জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়। তবে জেলার সাতটি উপজেলায় কোরবানীর পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৫৪৫টি।
জানা যায়, কোরবানীযোগ্য এসব গবাদি পশুর মধ্যে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। স্থানীয়ভাবে এসব পশু বিক্রয়ের জন্য বিভিন্ন হাট অনলাইন ও ওয়েবসাইট রয়েছে। ইতোমধ্যে এসব কোরবানীর পশু কেনাবেচা শুরু হয়েছে।
এদিকে গো-খাদ্যের দাম অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন জেলার খামারি ও কৃষকরা। বেশি দামে খাদ্য খাওয়ানোর ফলে বাজারে পশুর ভালো দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছেন খামারীরা।
গাইবান্ধা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান সরকার জানান, এবার জেলার সাতটি উপজেলায় কোরবানীর পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৫৪৫টি।
প্রস্তুত রয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৯৪৪টি। কৃষকরা যাতে ভালো দাম পায়, সে বিষয়ে তাদের সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে পশুর স্বাস্থ্যের পরীক্ষার নিরীক্ষার জন্য আমাদের মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক প্রস্তত রয়েছে।