
মোঃ ছালাম, সিনিয়র রিপোর্টার:-
ভূয়া ডিবি পরিচয়ে চাঁদা দাবী করায় নেছারাবাদ থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার
হলেন নুরুল আলম(৪৫)। নুরুল আলম সোহাগদল ইউনিয়নের বরছাকাঠীর আব্দুল হালিমের ছেলে।এজাহারটি সম্পূর্ন তুলে ধরা হলো।বাদীর লিখিত বক্তব্য – আমি সবুজ চন্দ্র হালদার (৩৬), পিতা- সুভাস চন্দ্র হালদার, সাং- বাটনাতলা ওয়ার্ড নং-০৬, ০৭নং গুয়ারেখা ইউপি, থানা- নেছারাবাদ, জেলা-পিরোজপুর। অত্র নেছারাবাদ থানায় হাজির হইয়া বিবাদীদ্বয়ের বিরুদ্ধে এই মর্মে এজাহার দায়ের করিতেছি যে, আমি একজন পান ব্যবসায়ী। বিবাদীদ্বয় অত্যন্ত খারাপ ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। বিবাদীদ্বয় এলাকায় নানা রকম অপরাধ মূলক কর্মকান্ড করিয়া বেড়ায়। ঘটনার দিন ইং-১২/০১/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ০৮.৩০ ঘটিকার সময় আমি পান ক্রয় করার জন্য মটরসাইকেল নিয়ে বাটনাতলার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। পথিমধ্যে ঘটনাস্থল নেছারাবাদ থানাধীন ০২নং সোহাগদল ইউপির বরছাকাঠী সাকিনস্থ সরদার বাড়ীর জনৈক জাহিদ (পান ব্যবসায়ী) এর বসত ঘরের সামনে পাকা রাস্তার উপর পৌছা মাত্র ০১নং বিবাদী আমার মটরসাইকেল থামানোর ইশারা দিলে আমি মটরসাইকেল থামাই। পরবর্তীতে ০১নং বিবাদী নিজেকে ডিবি পরিচয় দিয়ে আমাকে বলে যে তুমি একজন মাদক ব্যবসায়ী তোমার কাছে মাদক আছে এই বলে আমার মটরসাইকেলের সাইড কভারে হাত দিয়ে একটি পলিথিনে মোড়ানো প্যাকেট বের করে বলে তুমি ইয়াবা ব্যবসা কর। তোমাকে পুলিশে দিব তোমার জেল হবে এই কথা বলে ০১নং বিবাদী আমাকে আটক করে পান ব্যবসায়ী জনৈক জাহিদ এর ঘরের সামনে নিয়ে যায়। এর পর আমাকে বিভিন্ন মেয়াদে জেলের ভয় দেখিয়ে আমার কাছে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা চাঁদা দাবি করে। এর কিছু সময় পরে ঘটনাস্থলে ০২নং বিবাদী আসিয়া আমার মটরসাইকেল চাবি নিয়ে যায় এবং আমাকে বলে যে উক্ত টাকা পরিশোধ করে মটরসাইকেল নিয়ে যেতে। বিবাদীদ্বয় আমার মটরসাইকেল রেখে আমাকে টাকা আনার জন্য ছেড়ে দেয় এবং বলে তুমি যদি এই কথা কাউকে বলো তোমাকে ও তোমার পরিবারকে খুন জখম করে নদীতে ভাসাইয়া দিবো। আমি বিবাদীদ্বয়ের হাত হইতে বাহির হইয়া তাৎক্ষনিক আমার মোবাইল ফোন হইতে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ কল দেই। পরবর্তীতে নেছারাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছাইলে হাতেনাতে ০১নং বিবাদীসহ আমার আটককৃত মটরসাইকেল উদ্ধার পূর্বক নেছারাবাদ থানা পুলিশ নিজ হেফাজতে গ্রহণ করে। উক্ত ঘটনার বিষয় উপরোক্ত সাক্ষী সহ আমার নিকট আত্মীয়-স্বজনের সাথে আলাপ আলোচনা করিয়া বিবাদীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কম্পিউটার টাইপকৃত এজাহার দায়ের করিতে বিলম্ব হইল। প্রকাশ থাকে যে, এজাহার আমার বলা মতে লেখা হইয়াছে, আমি পড়িয়া শুনিয়া শুদ্ধ স্বীকার করিয়া স্বাক্ষর করিলাম।