গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাতগিরি মৌজার হিরো বাজারে স্বামী গৃহে বসবাস বিধবা "মা" মালতি বেগমের। স্বামী অবর্তমানে মালতী বেগম একপুত্র মশিউর @ আশরাফুল, দুই কন্যা মোর্শেদা ও আছমাকে নিয়ে সুখেই জীবন-যাপন করছিলেন। ইত্য সময়ে দুই কন্যার বিয়ে হলে কন্যাদ্বয় স্বামী গৃহে বসবাস করে। একপুত্র নিয়ে বিধবা মালতী বেগমের সুখ আর কপালে নেই। ছেলের উন্নত ভবিষ্যৎ কামনায় বিধবা মা ছেলে মশিউরকে প্রবাসে তথা সৌদি আরবে পাঠালে মশিউর দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে রুজি-রোজগার করে দেশে ফিরে এসে একই ইউনিয়নের জনৈক মৃত আব্দুল মজিদ সরকারের সুন্দরী ললনা নিলুফা বেগমকে বিয়ে করে। বিধি বাম বিধবা মালতী বেগমের কপালে দুর্যোগ নেমে আসে। বিয়ের পর মশিউর পুনরায় সৌদি আরবে যায়। প্রায় দুই বৎসর পর আবারো ফিরে এসে চতুর মশিউর বিধবা মায়ের নিকট কৌশলে ৫৫ শতাংশ জমি লিখে নিয়ে মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ করলে তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ও বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে আপোষ মিমাংসা হলেও সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি মশিউর ও নিলুফা। সালিস শেষে মশিউর ও নিলুফা ঘরবাড়ি তালাবদ্ধ করে নিজ কর্মস্থল পঞ্চগড়ে চলে যায়। গত ০৮-০৩-২০২৩ ইং স্থানীয় চেয়ারম্যান ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পুনরায় সালিসের মাধ্যমে বিধবা মালতী বেগমকে স্বামী বাড়িতে থাকার সিদ্ধান্ত দিলে বিধবা মালতী বেগম জরাজীর্ণ গরু ঘরে অবস্থান নেয়। এই সংবাদ পেয়ে মশিউর ও নিলুফা বেগম আজ ১০-০৩-২০২৩ সকালে নিজ বাড়িতে এসে মাকে বাড়িতে দেখে মশিউর ও নিলুফা বিধবা মাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। এমনকি একপর্যায়ে মশিউর ও নিলুফা শারীরিক নির্যাতনও করে। এমনকি ঘরে তালাবদ্ধ করে গৃহবন্দী করে রাখে। অবস্থা বে-গতিক দেখে বিধবা মালতী বেগম ৯৯৯ এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মালতী বেগমকে উদ্ধার করে। পরিশেষে মালতী বেগম সকলের নিকট ন্যায় বিচার কামনা করেন।