মো: সালেহ আহমেদ
ঢাকা: ডেমরা থানার ৬৬নং ওয়ার্ডের আওতাধীন বামৈল দক্ষিণ ইউনিট আওয়ামী লীগের ২২ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুল মালেক মালুর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বহু বাসিন্দা দাবি করেছেন, মালুর আচরণ ও কর্মকাণ্ডে এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে এবং তারা দিন দিন আরও অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন।
ক্ষমতার প্রভাব খাটানোর অভিযোগ এলাকাবাসীর বক্তব্য অনুযায়ী, মালু তার রাজনৈতিক পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার করছেন। কোনো ধরনের সমালোচনা বা বিরোধিতা উঠে এলেই তিনি ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি এবং চাপ সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অনেকে জানান, তার কথাবার্তার ভঙ্গি এবং আচরণ সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্কের সৃষ্টি করে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়েও অপকর্মের অভিযোগ অভিযোগকারীদের দাবি, বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়েও তিনি একই ধরণের আচরণ চালিয়ে যাচ্ছেন। রাজনৈতিক প্রভাব হারানোর পরও তার কর্মকাণ্ডে কোনো পরিবর্তন না আসায় স্থানীয় বাসিন্দারা আরও বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তারা মনে করছেন, প্রশাসনের নজরদারির অভাবেই এসব অপকর্ম অব্যাহত রয়েছে।
গ্রামবাসীর জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব স্থানীয় কয়েকজন জানান, মালুর কারণে এলাকায় বিরাজ করছে অস্থিরতা। তার কথিত অত্যাচার থেকে বাঁচতে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন। ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামাজিক কার্যক্রমেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকার একাধিক পরিবারের দাবি, প্রভাবশালী হওয়ার নাম করে তিনি ছোট-বড় নানা বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছেন, যা ক্রমেই বিরক্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করছে।
এলাকাবাসীর দাবি—তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রামবাসীর দাবি, নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে অভিযোগগুলো তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তারা মনে করেন, একজন রাজনৈতিক নেতার আচরণ এলাকার মানুষের ওপর এভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে না।
এলাকাবাসী আরও বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারবে।
ঘটনার বিষয়ে মালুর বক্তব্য মিলেনি এই প্রতিবেদনের বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মালুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।