আবদুল হাকিম, বান্দরবান:
ভাঙা সড়কে ‘ঝুঁকি’ নিয়ে চলছে যানবাহন
অতি ভারি বৃষ্টি কারণে রাস্তার সাইড বড় অংশভাগ ভেঙে আতংক সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড মংজয়পাড়া বিওপি'র চেকপোস্ট সংলগ্ন ব্রীজের পাশে রাস্তার অংশটুকু ভেঙে গিয়েছে।
আজ দুপুর মংজয় পাড়া বিওপির চেকপোস্ট সংলগ্ন থেকে তোলা। ছবি: আবদুল হাকিম:
নাইক্ষ্যংছড়ির উপজেলা থেকে ঘুমধুম ইউনিয়নে যাওয়ার একমাত্র প্রধান সড়ক এটি। উপজেলা থেকে ঘুমধুম ইউনিয়নে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার। এ সড়কের মাঝ পথে মংজয় পাড়া বিওপি চেকপোস্ট সংলগ্ন মংজয় পাড়া ব্রীজের একপাশ থেকে দীর্ঘ 7?৭০ ফিট দৈর্ঘ্য সড়কের পাশ ভেঙ্গে খালের সাথে মিশে গিয়েছে। সড়ক পাশে সাইড ওয়াল নির্মাণের মাধ্যমে সমস্যা নিরসন করা যাবে বলে জানান বিশিষ্টজনেরা। সড়কের সাইড ভাঙা দ্রুত ব্যবস্থা নানিলে বড় দুর্ঘটনা হতে পারে বলে জানান স্থানীয়রা।
সরেজমিনে দেখা যায়, শুধু নাইক্ষ্যংছড়ির টু ঘুমধুম সড়ক নয় সম্প্রতি টানা বৃষ্টি ও ফাত্রঝিরি থেকে কোটবাজার সড়ক, আমতলী থেকে কুতুপালং এবং উপসড়ক এবং অলিগলি ভেঙে চৌচির হয়ে গেছে।
সড়কগুলোর ভাঙাচোড়া অংশে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সেখানে ধীরগতিতে চলছে সব ধরনের যানবাহন। বিভিন্ন সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন।
স্থানীয় দীপংকর তংচংগ্যা জানান, দীর্ঘদিন থেকে সড়কে অংশ ভেঙেগিয়ে অনেক ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চলাচল করে আসছে। আগের চেয়ে এখন অনেক বড় অংশভাগ ভেঙে গেছে। কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় দুর্ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে।
বিশিষ্ট জনের মতামত, এ টি উপজেলা থেকে একটি ইউনিয়নে একমাত্র প্রধান সড়ক। সড়ক পাশে সাইড ওয়াল নির্মাণের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার গেলে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা হবে। যোগাযোগ বিঘ্নত ঘটবে না।
নাইক্ষ্যংছড়ি এলজিইডি অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে পরিদর্শন করে বান্দরবানে জেলাতে পাঠিয়েছি। বান্দরবানে থেকে ঢাকায় পাঠিয়েছে, ঢাকা থেকে অনুমোদক হয়ে আসলে দ্রুত কাজ শুরু করে দিবো।