ইমরান খাঁন-সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ
আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির নীলফামারী-২ সংসদ আসনে দাঁড়িপাল্লার মনোনীত প্রার্থী এ্যাড. আল ফারুক আব্দুল লতিফের পক্ষে মুন্সিপাড়ায় ঘরোয়া বৈঠক।
আজ ২৯ নভেম্বর রোজ শনিবার সকাল ৭.৩০ মিনিটে মুন্সিপাড়ার সর্ব স্তরের জনগণকে নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির এ ঘরোয়া বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় আমন্ত্রিত মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির কেন্দ্রীয় প্রভাবশালী কর্মী রংপুর হারা গাছা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব এবং বড়াইবাড়ী মাদ্রাসার প্রধাণ বাংলাদেশ এর আলোচিত আল্লামা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মোকাররম হোসেন সাঈদী ,১নং চওড়া বড়গাছা ইউনিয়ন এর বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির সভাপতি হাফেজ রবিউল ইসলাম ও ১নং চওড়া বড়গাছা ইউনিয়ন এর ৫ নং ওয়ার্ড এর বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির সভাপতি ও কাঞ্চনপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মমতাজুল ইসলাম।সেই সাথে উপস্থিত ছিলেন বিগত সরকারের আমলে জেল জুলুম সহ্য করা ও নিজ বাড়ি ছেড়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় গিয়ে ইসলাম প্রচারের মুখ্য জামায়াত নেতা আব্দুল মতিন।
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির এ ঘরোয়া বৈঠক অনুষ্ঠানে প্রথমত বক্তব্য দেন ১ নং চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড এর সভাপতি হাফেজ মমতাজুল ইসলাম। মমতাজুল ইসলাম বলেন,"আমি আপনাদের একটা কথাই বলবো এবার আপনাদের বিগত ১৭ বছর পর নিজেদের ভোটের অধিকার এসেছে আর আমরা চাই আপনাদের মতে যোগ্য ও জনবান্ধব জনকর্মীকে আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিয়ে জনগণের উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ করে দিবেন"।১ নং চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের জামায়াত ইসলামির সভাপতি হাফেজ রবিউল ইসলাম বলেন,"আমি আপনাদের বলবো না যে আপনারা দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন।আমি শুধু একটা কথাই বলবো আপনারা এমন একজন লোককে নীলফামারী-২ সংসদ আসনে বিজয়ী করবেন যাতে সে নিজের কথা নয় জনতার কথা ভেবে জনতার সেবক হিসেবে নিজেকে দাঁড় করায় এবং সবসময় জনতার কথা ভেবে জনতার যা চাওয়া পাওয়া সেটা সংসদে তুলে ধরে সে অনুযায়ী নিজ এলাকায় কার্যক্রম করে"।
এ সময় উপস্থিত আমন্ত্রিত প্রধাণ মেহমান ও সকলের ভালো বাসার পাত্র আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মোকাররম হোসেন সাঈদী বলেন,সংসদ নির্বাচন এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আমরা ৫ বছরের জন্য এমন একটা সরকার কাঠামো তৈরী করি যারা জনগণের কল্যানে কাজ করার অঙ্গিকার বদ্ধ হয় এবং সংসদে গিয়ে জনতার জন্য কাজ করে এবং তাদের জিম্মি দাড়িতে থাকে দেশের সকল সিস্টেম। আর বিগত দেড় যুগ সময় ধরে আমরা কোনো ভোটের অধিকার পাইনি কিন্তু এবার তা পেয়েছি যা আমাদের জন্য সুভাগ্যের বিষয়।তাই এবার আপনারা প্রতিটি সংসদ আসনে এমন জনবান্ধব কর্মীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার জন্য আপনাদের মূল্যবান ভোট দিবেন যারা শত ভাগ সফলতার সহিত জনগণের কল্যানে কাজ করবে এবং সরকার গঠন করে জনগণের সকল নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে ইনশাআল্লাহ"।তিনি বলেন,"আমরা দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইতে আসিনি এসেছি জনগণের অধিকার আদায়ের কথা বলতে ও যোগ্য লোককে দেশের শাসন কাঠামোয় আনার জন্য পরামর্শ দিতে। কিন্তু আপনারা যদি দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন তাহলে আপনাদের যা পাওয়ার তা আপনাদের আমরা নিজ দায়িত্বে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দিয়ে আসবো।একটা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সম্পূর্ণ রাষ্ট্র গঠনে নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করবো।আর বাকিটা আপনাদের ইচ্ছে এই বলে সকলের কাছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির জন্য দোয়া চেয়ে তিনি তার মূল্যবান অভিমত শেষ করেন।।
সেই সাথে উপস্থিত সকল জনগণের মাঝে ঐতিহ্যবাহী মুড়ি ও চানাচুর মাখা দিয়ে এ বৈঠকের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।