স্টাফ রিপোর্টার: সাখাওয়াত ফরিদগঞ্জ:
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে যুবদলের ৩কর্মী হত্যাকাণ্ডের ১১ বছর পর আদালতে আরো একটি মামলা করা
হয়েছে। গত ০৭ জুলাই ২০২৫ ইং ফরিদগঞ্জ আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় ৩৭৮ জনকে নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বাদীর আইনজীবী সজিব রেজা বলেন, ‘মামলাটি আদালত আমলে নেওয়ার পর তৎকালীন সময়ে ফরিদগঞ্জ থানায় যে অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ওই মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য থানাকে নির্দেশ দেন। ওই প্রতিবেদন পাওয়ার পরে মামলাটির পরবর্তী নির্দেশনা আসবে।
মামলায় আসামিরা হলেন–স্থানীয় ব্যবসায়ী আওমীলীগ নেতা মোঃ সাইফুল মেম্বার, গাজীপুর বাজার ব্যবসায়ী সমতির সহ-সভাপতি শ্রী সুমীর চন্দ্র কুড়ি, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী, সাধারণ সম্পাদক আবু ছায়েদ সরকার, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম রোমান, আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম কাজল বিএসসি, পৌরসভার সাবেক মেয়র মাহফুজুল হক, মো. মাসুদ হোসেন ভুঞা (কিলার মাসুদ), উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. অহিদুর রহমান অহিদ, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম রিপন, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সেক্রেটারি আকবর হোসেন মনিরসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা।
জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর তৎকালীন বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিতে নিহত হন যুবদল কর্মী জাহাঙ্গীর বেপারী, আরিফ হোসেন ও বাবুল ভূঁইয়া। এই ঘটনায় ওই দিন অনেকেই আহত হন।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিলে আসামিদের নির্দেশে তৎকালীন থানা-পুলিশের সহযোগিতায় নেতা কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়। হামলায় তিনজন নিহত, অনেক নেতা কর্মী আহত এবং কেউ কেউ পঙ্গুত্ববরণ করেন।
নিহত জাহাঙ্গীর বেপারী উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের পূর্ব গাজীপুর তিন কড়ি বেপারী বাড়ির আ. মতিন বেপারী ও তফুরেরনেছা দম্পতির ছোট ছেলে। রূপসা উত্তর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের আব্দুল আলিম ও হাজেরা বেগমের ছেলে আরিফ হোসেন এবং একই ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের আব্দুর রহিম ও সফুরা বেগমের ছেলে বাবুল ভূঁইয়া।