রাজশাহী মহানগরীর পবা থানাধীন বাগধানী গ্রামের গরু চুরির ঘটনায় পলাতক এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে আরএমপি পবা থানা পুলিশ। এ নিয়ে মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ফরিদ আহম্মেদ (৩৭) রাজশাহী মহানগরীর কাটাখালী থানাধীন ইমাদপুর গ্রামের মৃত সাদেক আলীর ছেলে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, উপ-পুলিশ কমিশনার (শাহ্মখদুম) নূর আলম সিদ্দিকীর সার্বিক দিকনির্দেশনায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এ.এইচ.এম আসাদ হোসেনের তত্ত্বাবধানে পবা থানা অফিসার ইনচার্জ রফিকুল হকের নেতৃত্বে এসআই সাহাবুল ইসলাম ও টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে গত ১৮ই মার্চ ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে দুপুর আড়াইটা নগরীর রাজপাড়া থানাধীন লক্ষীপুর মোড় থেকে রাজপাড়া থানা পুলিশের সহায়তায় আসামি ফরিদকে গ্রেফতার করেন। জিজ্ঞাসাবাদে ফরিদ জানায়, সে গরু চুরির সাথে জড়িত। গরু চুরি তার পেশা এবং সে আন্ত জেলা গরু চোর চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য। বিভিন্ন এলাকা হতে সংগঠিত হয়ে তারা রাতের বেলা গোয়ালঘরের তালা কেটে বা বেড়া ভেঙ্গে পিকআপে করে গরু চুরি করে নিয়ে যায় মর্মে জানা যায়। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় গরু চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ২০শে ডিসেম্বর, ২০২২ রাতে রাজশাহী মহানগরীর পবা থানার বাগধানী গ্রামের মৃত আজিজুল হকের ছেলে শামীম রানার গোয়াল ঘরের শিকল কেটে একটি ষাঁড় ও একটি গাভী চুরি করে নিয়ে যায়। শামীম রানার উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৭শে ডিসেম্বর, ২০২২ পবা থানায় একটি চুরির মামলা রুজু হয়। মামলার রুজু পরবর্তীতে পবা থানা পুলিশ গত ২রা জানুয়ারি ২০২৩ অভিযান পরিচালনা করে চোর চক্রের ৩ সদস্যকে চুরি হওয়া ২ টি গরু-সহ গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে তাদের সহযোগী ফরিদের নাম উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে পবা থানা পুলিশ আসামি ফরিদ-সহ গরু চুরির ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রাখে। গরু চুরির ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।