সাপাহারে শত্রæতার জেরে আমগাছ কর্তনের অভিযোগনওগাঁর সাপাহারে দিন দুপুরে দরজা জানালা ভেঙ্গে সন্ত্রাসী কায়দায় বশতবাড়ীতে প্রবেশ করে গৃহ কর্তৃকে এলোপাথাড়ী মারপিট আসবাবপত্র ভাংচর সহ বাড়ীর পাশের্^র আমবাগানে প্রবেশ করে প্রায় ৩শ’পিচ আমগাছ কেটে ফেলার অভিযোগে স্থানীয় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
সাপাহার উপজেলার কোচকুড়লিয়া গ্রামের মৃত সাজিরুদ্দীন এর ছেলে হাসান জামান এর থানায় দাখিলকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব শত্রæতার জেরে একই গ্রামের মৃত মোস্তফা কামালের ছেলে তানভীর, মৃত সাজিরুদ্দীনের ছেলে রেজাউল করিম, আলাউদ্দীন, মৃত মোস্তফা কামালের স্ত্রী সায়েরা বেগম, ও চাপাই নবাবগঞ্জ জেলার রহনপুর থেকে আগত সাদ্দাম হোসেন সহ ১০/১৫জন লোক বে-আইনী জনতায় দলবদ্ধ হয়ে শনিবার বিকেলে আমার বশতবাড়ীর দরজা ভেঙ্গে বাড়ীতে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এসময় আমার স্ত্রী আগাইয়া এলে তারা তাকেও মারপিট করে। আমার স্ত্রী জীবন বঁচানোর তাগিদে আতœচিতকার শুরু করলে তারা বাড়ী হতে পালিয়ে গিয়ে বাগানে প্রবেশ করে এবং প্রায় ৩শ’টি আমগাছ কেটে ফেলে আমাকে ও আমার পরিবারকে জীবন নাশের হুমকী দিয়ে পালিয়ে যায়। এর পর মোবাইলে স্থানীয় থানায় এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিষয়টি অবহিত করলে এমনকি রবিবারে থানায় একটি লিখিত অভিযোগপত্র দাখিল করলেও এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘনটাস্থল পরিদর্শন করতে কেউ আসেনি বলে অভিযোগকারী হাসান জামান বলেন।
ঘটনার বিষয়ে প্রতিপক্ষ মৃত মোস্তফা কামালের ছেলে তানভীর এর সাথে কথা হলে তিনি জানান যে, অভিযোগকারী আমার ছোট চাচা, আমাদের জমিজমা বিষয়ে দীর্ঘ দিন ধরে তার সাথে আমাদের একটি বিরোধ চলে আসছে, এরই ধারাবাহীকতায় গত ২২আগষ্ট আমার বাবার নামীয় লীজপ্রদানকৃত জমিতে সাদ্দাম হোসেন নামের এক ব্যক্তি তার লোকজন নিয়ে বাগান পরিচর্জা করতে এলে আমার চাচা ও তার লোকজন নিয়ে গ্রামের রাস্তায় তাদের পথ রোধ করে মারধর শুরু করে। এসময় চিৎকার চেচামেচি শুনে আমি ঘটনাস্থলে গেলে আমার চাচা সহ তার লোকজন আমার প্রাণনাশের চেষ্টা চালায় এবং বিভিন্ন ধরণের হুমকী প্রদান করে। গ্রামের লোকজন এগিয়ে এসে আমাকে তার কবল থেকে রক্ষা করে। এসংক্রান্ত বিষয়ে ওই দিনই আমি স্থানীয় থানায় একটি অভিযোগ দিলে তারই কাউন্টার হিসেবে নিজের লোকজন দিয়ে নিজেরাই আমগাছ কেটে আমাকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা চািলয়ে তিনি এ নাটকটি সাজিয়েছেন। সঠিক তদন্ত স্বাপেক্ষে সত্য ঘটনা উম্মোচন করে প্রকৃত অপরাধীর শাস্তি হোক এটাই আমার দাবী
এবিষয়ে সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা তদন্ত ওসির সাথে কথা হলে বিষয়টি যে হেতু জমিজমা সংক্রান্ত আদালতে মামলা চলমান সে হেতু বিষয়টি আদলতের ব্যপার, মারা মারির বিষয়টি খতিয়ে দেখে সঠিক ব্যবস্থা নেয় হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।