শনিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৪৩ অপরাহ্ন

অবৈধ ইটের ভাটা চলছে সাভার , আশুলিয়া,ধামরাইয় ও মানিকগঞ্জ জেলায়

দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম সংবাদ বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ ইমরান মোল্লা ঃ
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১১ মার্চ, ২০২৩
  • ১১৯ বার পঠিত

সাভার ,আশুলিয়া, ধামরাই ও মানিকগঞ্জ জেলায় চলছে অবৈধ ইটের ভাটা। ক্ষমতার জোড়ে চালাচ্ছে ব্রিকস। কেউ চেয়ারম্যান, কেউ রাজনৈতিক টপ মহলের নেতা, কেউ ব্যারেষ্টার, কেউ বা মেম্বার। যে কোনো প্রত্যেকটা বিষয়ে, থাকে সঠিক নীতিমালা । ক্ষমতার জোড়ে সঠিক নীতিমালা অবলম্বন না করে, কাগজ _ পএ বিহীন চালাচ্ছেন অবৈধ ইটের ভাটা। অসহায় হয়ে পড়ে, এলাকার গরিব, দুখি মানুষ । অবৈধ ইটের ভাটার কারণে, প্রতি নিয়ত ক্ষতি হচ্ছে, লক্ষ কোটি টাকার ফসল। ইটের ধুলা বালি, কালো ধূয়া, ময়লা আর্বজনায় একে বারে অতিষ্ঠ প্রত্যেকটা এলাকাবাসী। কে শোনে তাদের দুঃখের কাহিনী । প্রত্যেকটা এলাকায় রয়েছে প্রশাসন। প্রশাসন থাকলেও কোনো উপকারিতা পাই না, অসহায় গরিব মানুষ গুলো। কেনো না, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, এসিলান্ড, পুলিশ প্রশাসনের পকেটে টাকা পৌছালে, তাদের মুখ বন্ধ হয়ে যায় । ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে থাকে, অসংখ্যক প্রশাসন, তাহারা যে কোনো ইটের ভাটায় গেলে, পুরো এলাকাটা যেনো আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তবে শেষ পযর্ন্ত কোনো লাভ হয় না। এই দুনিয়ার ক্ষমতা হাতে পেয়ে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে, সকল প্রশাসন। ম্যাজিস্ট্রেট এমন ভাবে চাপ সৃষ্টি করে, কথা বললেই রেট বেড়ে যাবে। প্রতি কথায় ৫০,০০০ হাজার টাকা । সর্বোচ্চ ২০,০০০০০ লক্ষ টাকা পযর্ন্ত । এটাই হচ্ছে, ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতার বাহাদুরি । তবুও বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ ইটের ভাটা। এই ভাবে, প্রতি বছরে, লক্ষ কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এই সব টাকা সরকারের তহবিলে যায় না। সরকারি তহবিল থাকে শূন্যতা। অন্য দিকে, ম্যাজিস্ট্রেটের একাউন্ট ভর্তি থাকে টাকার ক্ষণি। এক জন পুলিশ, সে যতোই টপ লেবেলে থাকে না কেনো, সরকারি স্কেল, বেশী নয়। অথচ, পুলিশের থাকে পাচ তলা বিল্ডিং ও অসংখ্য সম্পত্তি ।তবে এগুলো কি ভাবে সম্ভব। এক জন ম্যাজিস্ট্রেট তাহার সরকারি বেতন কতো? সরকারি স্কেলে বেশী নয়। তা হলে, কোটি কোটি টাকা পাহাড় কি ভাবে সম্ভব । সরকারের দৃষ্টি আর্কষণের ভিত্তি বলা চলে, প্রত্যেকটা ডিপার্টমেন্ট কে সঠিক ভাবে গাইড লাইনের মাধ্যমে সঠিক ভাবে পরিচালনা করিলে, সব কিছু শুধরে যাবে। কিছু ব্যতিক্রম প্রশাসন রয়েছে, যারা হাজার গাইড লাইন দিলেও ভালো হবে না। এগুলো ছাটাই বা বাদ দিতে হবে। এ.বি.সি, আর.বি.সি, করিম ব্রিকস, রহিম ব্রিকস, কফিল ব্রিকস, ফরহাদ ব্রিকস, ঢাকা ব্রিকস, রাজধানী ব্রিকস, মোল্লা ব্রিকস, রানা ব্রিকস,মের্সাস আওয়াল ব্রিকস, নয়ন ব্রিকস , শামীম ব্রিকস, সোলেমান ব্রিকস, অন স্টার, টু স্টার, থ্রি স্টার, নানা ভাটা, টাটা ভাটা, দাদা ভাটা,লামিয়া ব্রিকস ১,২,৩,৪,৫ব্রিকসএকই কম্পানি সহ আরো রয়েছে এরকম আরো অনেক অবৈধ ব্রিকস । রয়েছে প্রত্যেকটা এলাকায়, মালিক সমিতি । ইট ভাটার মালিক সমিতির নাম ধারণ করে, হাতিয়ে নিচ্ছে প্রত্যেক মাসে, প্রত্যেকটা ইটের ভাটার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা । ইটের ভাটা চালাচ্ছেন, কিছু কিছু নামধারী সাংবাদিক। সাংবাদি হচ্ছে, জাতির বিবেক। তবে এই সাংবাদিক চালাচ্ছে ইটের ভাটা তা ও অবৈধ ভাবে, কাগজ_পএ বিহীন । কিছু কিছু নামধারী সাংবাদিক, পরিচয় দেওয়ার আগেই, সাংবাদিক নাম ব্যবহার করে। ইটের ভাটার কম্পানির সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে, কিছু কিছু নামধারী সাংবাদিক বলে ইটের ভাটা আমি চালাবো, যতো প্রশাসন, যতো নেতা আছে, সব দেখবো।মূলত যারা সাংবাদিকতার পেশায় আছে, এটা এমনই একটি মহৎ পেশা, যাহা সমাজের দপর্ণ, জাতির বিবেক। সাংবাদিকতার পাশাপাশি, সে অন্য ভালো ব্যবসা বাণিজ্যি করতে পারে। অবৈধ ইটের ভাটা বন্ধেরের জন্য প্রশাসনের সু দৃষ্টি কামনা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক মাতৃজগত    
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Bangla Webs
banglawebs999991