জুয়েল সিকদার স্টাফ রিপোর্টার সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন জাতীয় দৈনিক মাতৃজগতের সম্পাদক জনাব খাঁন সেলিম রহমান। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে তাঁর নানামুখী উদ্যোগ ইতোমধ্যে সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে। খাঁন সেলিম রহমান একজন উদার, সহানুভূতিশীল ও মানবিক মনের মানুষ হিসেবে পরিচিত। কোনো ব্যক্তি বিপদে পড়েছেন কিংবা অসহায় অবস্থায় রয়েছেন—এমন খবর তাঁর কাছে পৌঁছালে তিনি সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। অর্থনৈতিক সহায়তার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শ, উৎসাহ ও মানসিক সাহস জোগাতেও তিনি আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসেন। তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের মতে, মানুষের দুঃখ-কষ্টকে নিজের মতো করে অনুভব করার একটি বিশেষ মানসিকতা রয়েছে খাঁন সেলিম রহমানের। সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোকে তিনি কেবল সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে নয়, বরং মানবিক কর্তব্য হিসেবেই দেখেন। দেশের বিভিন্ন সময়ে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে অসংখ্য মানুষ যখন দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন, তখনও তিনি দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন। শুধু দূর থেকে সহমর্মিতা প্রকাশ নয়, বরং অনেক সময় দুর্গত এলাকায় গিয়ে মানুষের খোঁজখবর নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। একজন গণমাধ্যমকর্মী ও সম্পাদক হিসেবে সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরার পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। তাঁর মতে, গণমাধ্যমের দায়িত্ব শুধু সংবাদ পরিবেশনেই সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের দুঃখ-কষ্টের সময় পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করাও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। মাতৃজগত পরিবারের সাংবাদিকদের অনেকেই মনে করেন, সম্পাদক খাঁন সেলিম রহমানের মানবিক কর্মকাণ্ড তাঁদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর কাছ থেকে সহমর্মিতা, সহযোগিতা ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা নিয়ে অনেকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করছেন। সামাজিক সচেতন মহলের মতে, বর্তমান সময়ে যখন মানুষ নানা কারণে একে অপরের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, তখন সমাজের সামর্থ্যবান ও প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে খাঁন সেলিম রহমানের মানবিক উদ্যোগ সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার পরিবেশ তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। মানবিকতার এই ধারাবাহিকতা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা তাঁর সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও অসহায় মানুষের। মানুষের জন্য মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে মহান আদর্শ তিনি ধারণ করে চলেছেন, তা আরও বিস্তৃত হোক—এটাই প্রত্যাশা।
