
স্টাফ রিপোর্টার: রাসেল মাহমুদ
সদ্য বিলুপ্ত ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পর নতুন নেতৃত্ব নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও বিশ্লেষণ । সম্ভাব্য নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে আলোচনায় উঠে এসেছে সাবেক ছাত্রনেতা সাবেক কমিশনার সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক বিএনপির নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য বজলুল বাছিদ আঞ্জু
তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের কারণে সভাপতির পদে একজন সম্ভাবনাময় প্রার্থী। অনুসারীদের কাছে তিনি কর্মীবান্ধব ও পরোপকারী নেতা হিসেবে পরিচিত।
দলীয় সূত্র ও তার ঘনিষ্ঠজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়ান-ইলেভেনের সময় জরুরি বিধির মামলায় বজলুল বাছিদ আঞ্জু পাঁচ দফা কারাবরণ করেছেন।এছাড়াও অসংখ্য মামলার শিকার হয়েছেন নির্যাতিত হয়েছে ২৪ শের জুলাইয়ের আন্দোলনের সময় স্বসংক্রিয়ভাবে তিনি রাজপথে থেকে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও তার ঘনিষ্ঠজনরা দাবি করেছেন।
তার অনুসারীদের দাবি, ছাত্রনেতা থেকে সফল কমিশনার সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক ঢাকা মহানগর উত্তর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় জেল-জুলুম, মামলা এবং বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বজলুল বাছিদ আঞ্জু রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি হয়েছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামেও তিনি দীর্ঘদিন মাঠে সক্রিয় ছিলেন বলে দাবি করেন তারা। অনুসারীদের কেউ কেউ তাকে ‘জিয়া পরিবারের ভ্যানগার্ড’ হিসেবেও উল্লেখ করেন।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই নতুন কমিটিতে কারা নেতৃত্বে আসছেন, তা নিয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
দলীয় একাধিক সূত্রের দাবি, কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃত্ব যেকোনো সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন পূর্ণাঙ্গ কিংবা আংশিক কমিটি ঘোষণা করতে পারে। সম্ভাব্য কমিটিতে সভাপতি পদে কয়েকজনের নাম আলোচনায় থাকলেও ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের বিবেচনায় বজলুল বাছিদ আঞ্জুর নাম গুরুত্ব পাচ্ছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
সভাপতির পদে আলোচনায় থাকা প্রসঙ্গে বজলুল বাছিদ আঞ্জু বলেন, “দলের নেতৃত্বের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমি দীর্ঘদিন ধরে দলের আদর্শ ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল থেকে রাজপথে কাজ করেছি। দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমাকে যে দায়িত্ব দেবেন, তা যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করব। পদ-পদবির চেয়ে দলের স্বার্থ ও নেতাকর্মীদের ঐক্য আমার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি আরও বলেন, “ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপিকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে হলে তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মতামত ও অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিতে হবে। নতুন কমিটি যাদের নিয়েই হোক, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।