
এস এম জসিম বিশেষ প্রতিনিধ চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের সামনে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ চট্টগ্রাম নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের সামনে নির্মিত হয়েছে পদ্মফুলের নকশায় দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জিত গোলচত্বর। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ স্থাপনার মধ্য দিয়ে শতাব্দীপ্রাচীন চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের সামনে পদ্মফুল স্থাপনের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও দাবি পূরণ হয়েছে। সাংঘিক বিহারের রূপকার অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ছিল বৌদ্ধ বিহারের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপন। একই দাবি ছিল সাধারণ বৌদ্ধ নর-নারীরও। অবশেষে চসিকের উদ্যোগে সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হওয়ায় চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের পক্ষ থেকে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। পদ্মফুলের নান্দনিক নকশা ও বর্ণিল আলোকসজ্জায় সজ্জিত গোলচত্বরটি নগরীর সৌন্দর্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বৌদ্ধ দর্শনে পদ্মফুল পবিত্রতা, প্রজ্ঞা ও আধ্যাত্মিক বিকাশের প্রতীক। ফলে বৌদ্ধ বিহারের সামনে এ স্থাপনা নির্মাণের মধ্য দিয়ে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি ধর্মীয় ঐতিহ্যের প্রতিফলনও ঘটেছে। চট্টগ্রাম বহুদিন ধরেই ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক সহাবস্থানের জন্য পরিচিত। এ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর সৌন্দর্যবর্ধন এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য ও অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের সামনের পদ্মফুলের গোলচত্বর সেই দৃষ্টিকোণ থেকে তাৎপর্যপূর্ণ সংযোজন। নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় চসিকের এ উদ্যোগ চট্টগ্রামকে আরও নান্দনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টার অংশ। একই সঙ্গে এটি নগরীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে জনপরিসরে তুলে ধরার একটি উদ্যোগ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।