
সাইফুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার, ভালুকা (ময়মনসিংহ): ময়মনসিংহের ভালুকায় ট্রলি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষের ঘটনায় আহতের চিকিৎসার টাকা চাওয়াকে চাঁদাবাজি বলে মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। জানা যায়, গত রবিবার রাতে উপজেলার রান্দিয়া পুলের ঘাট এলাকায় মো. আনোয়ার হোসেন আপেলের মালিকানাধীন লাকড়ি বোঝাই একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলি বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং আরোহী মাজহারুল ইসলাম রনি ও দিনমজুর সেলিম মিয়া গুরুতর আহত হন। এ সময় রনির প্রায় এক লাখ টাকা মূল্যের স্মার্টফোন পানিতে পড়ে হারিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ট্রলিটি আটক করে এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেলিমকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেলিম পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ৩০ হাজার টাকা সহায়তা চান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী। অভিযোগ উঠেছে, এই সহায়তার টাকা চাওয়ার ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ট্রলি মালিক আপেল উল্টো খন্দকার সামিল হাসান, মো. মাজহারুল ইসলাম রনি, মো. আব্দুল হামিদ ও মো. বাদল মিয়ার নামে দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ এনে ভালুকা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে অভিযুক্তদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।