
মোঃ শাকিল রেজা খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানঃ সাত দফা দাবি আদায়ে ১১ দল আয়োজিত লংমার্চ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান রাত ৮টা ৪৮ মিনিটে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে শহরের প্রবেশ করেন। এসময় ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব জামায়াত আমি শফিকুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানান। এসময় দুই মিনিটের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, আপনারা সবাই জানেন আমরা কেন রাস্তায় নেমেছি। এ দাবি আমাদের দলের না, এ দাবি জনগণের। জনতার দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছি। আমরা রাস্তায় নামতে চাইনি। কিন্তু সরকার আপনাদের অপমানিত করেছেন। গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ যে রায় দিয়েছেন, তা অগ্রাহ্য করা হয়েছে। গণভোটের রায় অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা কথা দিচ্ছি আপনাদের দাবি পুরণ না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবো না। আমরা আপনাদের সাথে আছি। এই একটি দাবি বাস্তবায়ন হলে বাকি ছয় দফাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়িত হয়ে যাবে। গণভোট বাস্তবায়ন হলে দেশে কোন চাঁদাবাজ থাকতো না, সন্ত্রাস ও অন্যায় থাকতো না। সরকার দাবি মেনে নিলে এক দফার প্রয়োজন হবে না। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে আমরা এক দফার ডাক দিবো। আন্দোলনের যখন ডাক আসবে, আমি কথা দিচ্ছি, আমরা জনগণের ধোকা দিবো না। জনগণের অধিকার জনগণের হাতেই তুলে দিতে চাই। এসময় আল কোরআনের একটি আয়াত উল্লেখ করে জামায়াতে আমির বলেন, আল্লাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা দেন, আবার অপদার্থের কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেন। মৌলিক সমস্য দূনীতি ও অযোগ্যতা। এই দুই সমস্যার কবর রচনা করতে চাই। আমরা একসাথে লড়াই চালিয়ে যাবো ইনশাল্লাহ। বিজয় জনগণের হবে ইনশাল্লাহ। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি ও সারসংকট নিরসন এবং দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধসহ সাত দফা দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করছে ১১ দলীয় জোট। এর আগে লংমার্চের অগ্রভাগে থাকা ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম কালীগঞ্জ মেইন বাসস্টান্ডে তার বক্তব্যে হাদি হত্যার বিচার দাবি করেন। এসময় জামায়াত নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি বলেন, চাটুকারদের কথায় নয়, ন্যায় ইনসাফের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করেন আমরা আপনাদের সহযোগীতা করবো।