ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গলাচিপায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • ৩৬ Time View
Print

খন্দকার জলিল, জেলা প্রধান পটুয়াখালী:

​পটুয়াখালীর গলাচিপায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মাদক নির্মূল ও সমসাময়িক বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক হলরুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চুরি, ছিনতাই রোধ এবং কোরবানির পশুর হাটে নিরাপত্তা জোরদারসহ উপজেলার মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

​গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হকের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার সৈয়দ জামান, ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মো. জিলন সিকদার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সজল দাস, উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ফারুক উজ্জামান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার এবং উপজেলা দুদক প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ, শিক্ষক, ইমাম পরিষদ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা সভায় অংশ নেন।

​সভায় উপজেলার সমসাময়িক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গবাদিপশু চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। একই সাথে ঈদের পূর্ব মুহূর্তে ছিনতাইকারী চক্রের তৎপরতা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জনমনে স্বস্তি ফেরাতে কোরবানির পশুর হাটগুলোতে পুলিশের টহল জোরদার করার জোর দাবি জানানো হয়।

​উপজেলায় মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সভায় বক্তারা বলেন, পৌর এলাকার বেশ কিছু স্পটে সন্ধ্যা নামলেই কিশোর গ্যাং ও মাদকসেবীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়। সেখানে প্রকাশ্যে মাদক কেনাবেচা ও সেবন অব্যাহত রয়েছে। এক শ্রেণীর চিহ্নিত নারী মাদক ব্যবসায়ী পর্দার আড়াল থেকে এই সিন্ডিকেট চালিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। অনতিবিলম্বে এই চক্রকে দমন করা না গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধ্বংসের মুখে পড়বে। মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও বিতর্কহীন ও স্বচ্ছ করতে অভিযানের সময় সংবাদকর্মীদের সাথে রাখার প্রস্তাব করেন স্থানীয় প্রতিনিধিরা।

​সভায় উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করার পাশাপাশি কিছু অনিয়মের চিত্রও তুলে ধরা হয়। ইতিপূর্বে কয়েক কোটি টাকার গলদা রেনু পোনা অবমুক্ত করায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানানো হলেও অভিযোগ করা হয় যে, মৎস্য বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে উপকূলীয় এলাকায় অবৈধ বেড় ও বেহুন্দি জাল দিয়ে অবাধে পোনা মাছ নিধন করা হচ্ছে। সমুদ্র ও নদীর মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এই অবৈধ প্রথা দ্রুত বন্ধের দাবি জানানো হয়।

এছাড়া গলাচিপা পৌরসভার চলমান খাল খনন কার্যক্রমটি সঠিক পরিমাপ ও স্থানীয় অংশীজনদের সাথে শেষ বারেরমত আলোচনার মাধ্যমে খনন কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে জানানো হয়। পাশাপাশি পৌরসভার কিছু হোটেল-রেস্তোরাঁয় বাসি-পচা খাবার পরিবেশন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং রাত্রিকালীন সময়ে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রবে জনমণের আতঙ্কের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।

​আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে আশ্বস্ত করে ভারপ্রাপ্ত ওসি মো. জিলন সিকদার জানান, গত কয়েকদিনে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২০ জনকে সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে এবং এই অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চুরি ও ছিনতাই রোধে দিন-রাত পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। কোরবানির ঈদে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

অন্যদিকে সহকারী পুলিশ সুপার সৈয়দ জামান মাদক নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করে বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ভোক্তা অধিকারের ব্যাপক ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তাদের দৃশ্যমান ভূমিকা কম। তারা আরও তৎপর হলে মাদকের বিস্তার অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হতো। তবে সামগ্রিকভাবে গলাচিপার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

​সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক মাদক নির্মূলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়তে হবে। ঘরের মাদকাসক্ত বা ব্যবসায়ী স্বজনকে প্রথমে পুলিশে ধরিয়ে দিলে সমাজ থেকে আশি ভাগ মাদক দূর করা সম্ভব। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সরকারি আবাসিক এলাকায় সন্ধ্যার পর বহিরাগত তরুণ-তরুণীদের আড্ডা বা অপ্রয়োজনীয় ঘোরাঘুরি কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এছাড়াও বিতর্ক এড়াতে মাদক অভিযানের সময় গণমাধ্যমকর্মীদের অবহিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন তিনি। হোটেল-রেস্তোরাঁর অনিয়ম ও বাসি খাবার পরিবেশনকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ইউএনও বলেন, “আমি সস্তা প্রচার বা ভাইরাল হতে চাই না; দায়িত্ব পালনকালে গলাচিপার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেমন পেয়েছিলাম, বিদায়বেলায় তার চেয়ে অনেক উন্নত ও শান্তিময় পরিবেশ রেখে যেতে চাই।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সিনিয়র সহ-সম্পাদক মাহিদুল হাসান সরকারের ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা

গলাচিপায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

Update Time : ০১:১৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
Print

খন্দকার জলিল, জেলা প্রধান পটুয়াখালী:

​পটুয়াখালীর গলাচিপায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মাদক নির্মূল ও সমসাময়িক বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক হলরুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চুরি, ছিনতাই রোধ এবং কোরবানির পশুর হাটে নিরাপত্তা জোরদারসহ উপজেলার মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

​গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হকের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার সৈয়দ জামান, ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মো. জিলন সিকদার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সজল দাস, উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ফারুক উজ্জামান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার এবং উপজেলা দুদক প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ, শিক্ষক, ইমাম পরিষদ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা সভায় অংশ নেন।

​সভায় উপজেলার সমসাময়িক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গবাদিপশু চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। একই সাথে ঈদের পূর্ব মুহূর্তে ছিনতাইকারী চক্রের তৎপরতা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জনমনে স্বস্তি ফেরাতে কোরবানির পশুর হাটগুলোতে পুলিশের টহল জোরদার করার জোর দাবি জানানো হয়।

​উপজেলায় মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সভায় বক্তারা বলেন, পৌর এলাকার বেশ কিছু স্পটে সন্ধ্যা নামলেই কিশোর গ্যাং ও মাদকসেবীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়। সেখানে প্রকাশ্যে মাদক কেনাবেচা ও সেবন অব্যাহত রয়েছে। এক শ্রেণীর চিহ্নিত নারী মাদক ব্যবসায়ী পর্দার আড়াল থেকে এই সিন্ডিকেট চালিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। অনতিবিলম্বে এই চক্রকে দমন করা না গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধ্বংসের মুখে পড়বে। মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও বিতর্কহীন ও স্বচ্ছ করতে অভিযানের সময় সংবাদকর্মীদের সাথে রাখার প্রস্তাব করেন স্থানীয় প্রতিনিধিরা।

​সভায় উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করার পাশাপাশি কিছু অনিয়মের চিত্রও তুলে ধরা হয়। ইতিপূর্বে কয়েক কোটি টাকার গলদা রেনু পোনা অবমুক্ত করায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানানো হলেও অভিযোগ করা হয় যে, মৎস্য বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে উপকূলীয় এলাকায় অবৈধ বেড় ও বেহুন্দি জাল দিয়ে অবাধে পোনা মাছ নিধন করা হচ্ছে। সমুদ্র ও নদীর মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এই অবৈধ প্রথা দ্রুত বন্ধের দাবি জানানো হয়।

এছাড়া গলাচিপা পৌরসভার চলমান খাল খনন কার্যক্রমটি সঠিক পরিমাপ ও স্থানীয় অংশীজনদের সাথে শেষ বারেরমত আলোচনার মাধ্যমে খনন কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে জানানো হয়। পাশাপাশি পৌরসভার কিছু হোটেল-রেস্তোরাঁয় বাসি-পচা খাবার পরিবেশন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং রাত্রিকালীন সময়ে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রবে জনমণের আতঙ্কের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।

​আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে আশ্বস্ত করে ভারপ্রাপ্ত ওসি মো. জিলন সিকদার জানান, গত কয়েকদিনে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২০ জনকে সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে এবং এই অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চুরি ও ছিনতাই রোধে দিন-রাত পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। কোরবানির ঈদে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

অন্যদিকে সহকারী পুলিশ সুপার সৈয়দ জামান মাদক নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করে বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ভোক্তা অধিকারের ব্যাপক ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তাদের দৃশ্যমান ভূমিকা কম। তারা আরও তৎপর হলে মাদকের বিস্তার অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হতো। তবে সামগ্রিকভাবে গলাচিপার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

​সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক মাদক নির্মূলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়তে হবে। ঘরের মাদকাসক্ত বা ব্যবসায়ী স্বজনকে প্রথমে পুলিশে ধরিয়ে দিলে সমাজ থেকে আশি ভাগ মাদক দূর করা সম্ভব। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সরকারি আবাসিক এলাকায় সন্ধ্যার পর বহিরাগত তরুণ-তরুণীদের আড্ডা বা অপ্রয়োজনীয় ঘোরাঘুরি কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এছাড়াও বিতর্ক এড়াতে মাদক অভিযানের সময় গণমাধ্যমকর্মীদের অবহিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন তিনি। হোটেল-রেস্তোরাঁর অনিয়ম ও বাসি খাবার পরিবেশনকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ইউএনও বলেন, “আমি সস্তা প্রচার বা ভাইরাল হতে চাই না; দায়িত্ব পালনকালে গলাচিপার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেমন পেয়েছিলাম, বিদায়বেলায় তার চেয়ে অনেক উন্নত ও শান্তিময় পরিবেশ রেখে যেতে চাই।”