
মো : নেছার উদ্দিন, স্টাফ রিপোর্টার:
ভোলা জেলা লালমোহন উপজেলাধীন ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড অন্তর্গত মহাব্বত আলী হাওলাদার বাড়ির মোহাম্মদ আবু কালাম হাওলাদার ( ৫২)নামীয় এক ব্যক্তি স্ত্রী এবং ছেলে মেয়ে কর্তৃক নৃশংসভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী এবং এই প্রতিবেদকের সরজমিনে পরিদর্শন শেষে জানা যায়, বিগত ২৭/০৫/২০২৬ তারিখ রোজ বুধবার আনুমানিক বেলা দুইটার সময় স্ত্রী এবং তার ছেলেমেয়ে কত্রিক শফি মোহরির নির্দেশে তারা ভিকটিমের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি লাথি এবং মারপিট করতে থাকে। পরবর্তীতে ভিকটিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে পার্শ্ববর্তী স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক ঈশ্বর অপারগতা প্রকাশ করলে লালমোহন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স লালমোহন ভোলা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করে। ভোলা সদর হাসপাতালে ২৮-০৫-২৬ তারিখ ভোর সাড়ে চারটায় তিনি অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। পরবর্তীতে পুলিশ তদন্ত ভোলা পলাশচন্দ্র দাস পোস্ট মডেমের জন্য হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। বর্তমানে এলাকায় এহেন নির্মম নিষ্ঠুর ঘটনা থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এদিকে মরহুমের ছোট বোন ফরিদা বলেন, তিনি তার ভাইয়ের এমন নির্মম নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এদিকে বিবাদী পক্ষের সাথে অত্র প্রতিবেদকদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইল তারা কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। এদিকে আজ ৩০/০৫২০২৬ তারিখ বেলা ১০:০০ টার দিকে স্থানীয় সাধারণ জনগণ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উক্ত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে স্থানীয় পেশকার হাট বাজারে বিক্ষোভ মিছিল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে। সেখানে মরহুমের ভাই ইউপি সদস্য মহসিন মেম্বার দাবি করেন, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে তার স্ত্রী এবং সন্তানেরা শফি মহরের নির্দেশে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। আমি এহেন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সকলের বাংলাদেশের প্রচলিত বিচারে মৃত্যুদন্ড দাবি করছি।
Reporter Name 


















