
রিনা আক্তার আখি,স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেট নগরীর কোতোয়ালি মডেল থানাধীন এলাকায় মো. সোহাগ মিয়া (৪২) নামের এক সংবাদকর্মীকে পথরোধ করে লাঞ্ছিত করা এবং পরবর্তীতে মুঠোফোনে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে ভুক্তভোগী সংবাদকর্মী সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডি নম্বর–৬৯৯, তারিখ: ০৮ মে ২০২৬।
জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ৭ মে ২০২৬ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে সংবাদকর্মী সোহাগ মিয়া কুয়ারপাড় পয়েন্ট দিয়ে হেঁটে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় আমির (২৫) নামের এক ব্যক্তি ও তার সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও দুই সহযোগী একটি মোটরসাইকেলে এসে তার পথরোধ করে। তারা সোহাগ মিয়ার পরিচিত মিজান (৪৫) নামের এক ব্যক্তির কলার ধরে টানাহেঁচড়া ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলে সোহাগ মিয়াকেও ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা।
ঘটনার পরদিন ৮ মে বিকাল ৪টা ১৬ মিনিটে আমির তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে সোহাগ মিয়ার ব্যক্তিগত নম্বরে ফোন করে থানায় অভিযোগ করার কারণে প্রাণনাশসহ বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক সোহাগ মিয়া জানান, তিনি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং অভিযুক্তরা যেকোনো সময় তার বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে এসআই (নিরস্ত্র) খলিল আহমদ চৌধুরীকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ
ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, “একজন সংবাদকর্মীর ওপর এ ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য মারাত্মক হুমকি। দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।”
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এ ধরনের ঘটনা অব্যাহত থাকলে তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত করবে। আমরা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই, ভুক্তভোগী সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।”
Reporter Name 














