ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলার অভিযোগ: এএসআই নরুল আমীনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • ৬ Time View
Print

এম.এ আরিফ চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টার:

বগুড়া শহরের তিনমাথা রেলগেটসংলগ্ন পুরান বগুড়া এলাকায় সংঘটিত হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনমনে ব্যাপক আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও দুর্বৃত্তরা প্রকাশ্যে দুই ভাইয়ের ওপর হামলা চালায় এবং তা প্রতিরোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার (২৫ জুলাই) দিবাগত রাতে পূর্ববিরোধের জেরে আনোয়ার হোসেনের দুই ছেলে আশিক (২৮) ও আতিক (২৬)-এর ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আশিক ছুরিকাহত হন এবং আতিক মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, ঘটনার সময় বগুড়া শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই নরুল আমীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তবে হামলার সময় তিনি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা একজন পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে কীভাবে এমন হামলার ঘটনা ঘটল এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা কেন নেওয়া হলো না—এসব বিষয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

এলাকার সচেতন নাগরিকরা ঘটনার নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি হামলায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে অভিযোগে উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে, দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই নরুল আমীনের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি, বগুড়া জেলার পুলিশ সুপার এবং বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক সুরুজ আলীর মুক্তির দাবি রাজশাহী প্রেসক্লাবের, মামলাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা

পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলার অভিযোগ: এএসআই নরুল আমীনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

Update Time : ১১:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
Print

এম.এ আরিফ চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টার:

বগুড়া শহরের তিনমাথা রেলগেটসংলগ্ন পুরান বগুড়া এলাকায় সংঘটিত হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনমনে ব্যাপক আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও দুর্বৃত্তরা প্রকাশ্যে দুই ভাইয়ের ওপর হামলা চালায় এবং তা প্রতিরোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার (২৫ জুলাই) দিবাগত রাতে পূর্ববিরোধের জেরে আনোয়ার হোসেনের দুই ছেলে আশিক (২৮) ও আতিক (২৬)-এর ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আশিক ছুরিকাহত হন এবং আতিক মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, ঘটনার সময় বগুড়া শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই নরুল আমীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তবে হামলার সময় তিনি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা একজন পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে কীভাবে এমন হামলার ঘটনা ঘটল এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা কেন নেওয়া হলো না—এসব বিষয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

এলাকার সচেতন নাগরিকরা ঘটনার নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি হামলায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে অভিযোগে উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে, দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই নরুল আমীনের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি, বগুড়া জেলার পুলিশ সুপার এবং বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।