ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক: প্রশংসার পাশাপাশি উঠেছে নানা আলোচনা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৫০:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৪ Time View
Print

​খন্দকার জলিল, জেলা প্রধান, পটুয়াখালী: ​পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের সংসদ সদস্য এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক (এমপি) গলাচিপা-দশমিনার অস্বচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন সুগম করতে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন। দারিদ্র্যের কারণে যেন কোনো শিক্ষার্থীর পড়াশোনা থমকে না যায়, সে লক্ষ্যে তিনি ও তার প্রতিনিধি মো. আবু নাঈমের একটি মোবাইল নম্বর (+৮৮ ০১৭৫৬০৮৫৬৪৯) জনসমক্ষে প্রকাশ করে সরাসরি যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর এই পদক্ষেপে একাধারে যেমন প্রশংসা ও আশাবাদের আলো দেখা যাচ্ছে, তেমনি স্থানীয় রাজনীতি ও সচেতন মহলে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। ​উপকূলীয় ও প্রত্যন্ত এই অঞ্চলে দারিদ্র্যের কারণে প্রতি বছর বহু মেধাবী শিক্ষার্থী শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে। স্থানীয় শিক্ষা অনুরাগী ও অভিভাবকদের মতে, রাষ্ট্র ও সরকারের একটি দায়িত্বশীল জায়গা থেকে প্রতিমন্ত্রীর এই মানবিক ও প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দেবে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে সরাসরি অভিভাবকের ভূমিকা পালন করার এই মানসিকতা এ অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন অনুসারীরা। ​তবে এই বিশেষ ঘোষণাটিকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকেও মূল্যায়ন করছেন অনেকে। সমালোচক ও বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই প্রচারকে অনেকে রাজনীতি ও নিজস্ব ভাবমূর্তি জোরদার করার কৌশল হিসেবে দেখছেন। পাশাপাশি, শিক্ষা সহায়তার জন্য সরকারি উপবৃত্তি ও বিভিন্ন শিক্ষা ট্রাস্টের সুযোগ বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সংস্কার না করে ব্যক্তিকেন্দ্রিক যোগাযোগের ওপর জোর দিলে সরকারি ব্যবস্থা উপেক্ষিত হতে পারে বলে একাংশ মনে করেন। এছাড়া সরাসরি ফোনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও প্রকাশ্য তালিকা না থাকলে পক্ষপাতিত্ব ও দলীয় প্রভাবের সুযোগ থেকে যায় বলেও তাঁদের অভিমত। ​সব মিলিয়ে, প্রতিমন্ত্রীর এই ঘোষণা গলাচিপা-দশমিনায় যেমন সাধারণ মানুষের নজর কেড়েছে, তেমনি এটিকে কেন্দ্র করে প্রশংসার পাশাপাশি নীতি ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে শুরু হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রীয়া।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহ সদরে ২৫০ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মাঝে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড বিতরণ

মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক: প্রশংসার পাশাপাশি উঠেছে নানা আলোচনা

Update Time : ১২:৫০:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
Print

​খন্দকার জলিল, জেলা প্রধান, পটুয়াখালী: ​পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের সংসদ সদস্য এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক (এমপি) গলাচিপা-দশমিনার অস্বচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন সুগম করতে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন। দারিদ্র্যের কারণে যেন কোনো শিক্ষার্থীর পড়াশোনা থমকে না যায়, সে লক্ষ্যে তিনি ও তার প্রতিনিধি মো. আবু নাঈমের একটি মোবাইল নম্বর (+৮৮ ০১৭৫৬০৮৫৬৪৯) জনসমক্ষে প্রকাশ করে সরাসরি যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর এই পদক্ষেপে একাধারে যেমন প্রশংসা ও আশাবাদের আলো দেখা যাচ্ছে, তেমনি স্থানীয় রাজনীতি ও সচেতন মহলে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। ​উপকূলীয় ও প্রত্যন্ত এই অঞ্চলে দারিদ্র্যের কারণে প্রতি বছর বহু মেধাবী শিক্ষার্থী শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে। স্থানীয় শিক্ষা অনুরাগী ও অভিভাবকদের মতে, রাষ্ট্র ও সরকারের একটি দায়িত্বশীল জায়গা থেকে প্রতিমন্ত্রীর এই মানবিক ও প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দেবে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে সরাসরি অভিভাবকের ভূমিকা পালন করার এই মানসিকতা এ অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন অনুসারীরা। ​তবে এই বিশেষ ঘোষণাটিকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকেও মূল্যায়ন করছেন অনেকে। সমালোচক ও বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই প্রচারকে অনেকে রাজনীতি ও নিজস্ব ভাবমূর্তি জোরদার করার কৌশল হিসেবে দেখছেন। পাশাপাশি, শিক্ষা সহায়তার জন্য সরকারি উপবৃত্তি ও বিভিন্ন শিক্ষা ট্রাস্টের সুযোগ বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সংস্কার না করে ব্যক্তিকেন্দ্রিক যোগাযোগের ওপর জোর দিলে সরকারি ব্যবস্থা উপেক্ষিত হতে পারে বলে একাংশ মনে করেন। এছাড়া সরাসরি ফোনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও প্রকাশ্য তালিকা না থাকলে পক্ষপাতিত্ব ও দলীয় প্রভাবের সুযোগ থেকে যায় বলেও তাঁদের অভিমত। ​সব মিলিয়ে, প্রতিমন্ত্রীর এই ঘোষণা গলাচিপা-দশমিনায় যেমন সাধারণ মানুষের নজর কেড়েছে, তেমনি এটিকে কেন্দ্র করে প্রশংসার পাশাপাশি নীতি ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে শুরু হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রীয়া।