
নতুন বিয়ের অভিযোগ, ভাড়া বাসায় পুলিশ গিয়েও পাননি স্বামীকে; বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পরিবারের আকুতি এ আর ছায়েম | সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট-সুনামগঞ্জ স্বামীকে সৌদি আরবে পাঠাতে আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ঋণ করেছিলেন স্ত্রী। চার সন্তান নিয়ে দীর্ঘদিন সংসার করার পর এখন সেই স্বামীর বিরুদ্ধেই নতুন করে বিয়ে ও স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, স্বামীকে খুঁজতে গিয়ে মারধর ও হুমকির শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেছেন স্ত্রী মোছাঃ খালেদা আক্তার (৪০)। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে তিনি সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরাণ (রহ.) থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে মোছাঃ খালেদা আক্তারের সঙ্গে মোঃ ছোট মিয়ার ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক মেয়ে ও তিন ছেলে—সুমাইয়া আক্তার তান্নি (১৮), খায়রুল ইসলাম তানজিদ (১৬), তাইজুল ইসলাম তাহমিদ (১৩) ও আরিফুল ইসলাম তাহসিন (১১) রয়েছে। খালেদার দাবি, প্রায় চার বছর আগে আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ঋণ করে স্বামী ছোট মিয়াকে সৌদি আরবে পাঠান তিনি। বিদেশে যাওয়ার পর প্রথমদিকে স্বামী স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেও পরবর্তীতে জরুরি প্রয়োজনের কথা বলে তার কাছ থেকে এক লাখ টাকা নেন। এরপর ধীরে ধীরে স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন খালেদা। পরবর্তীতে স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, তার স্বামী সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে সিলেট নগরীর শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন মেজরটিলা এলাকার রজনীগন্ধা টাওয়ারে বাসা ভাড়া নিয়ে অন্য এক নারীকে নিয়ে বসবাস করছেন। খালেদার অভিযোগ, গত ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে তিনি ওই বাসায় গিয়ে স্বামীর সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। একপর্যায়ে চুলের মুঠি ধরে মেঝেতে ফেলে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় তাকে থানায় কিংবা আদালতে কোনো ধরনের মামলা-মোকদ্দমা করলে রাস্তাঘাটে সুযোগ পেলে খুনসহ বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন খালেদা। পুলিশ গিয়ে পাননি স্বামীকে খালেদার দাবি, তার স্বামী মেজরটিলা এলাকার যে বাসায় ভাড়া থাকতেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন, সেখানে পুলিশও গিয়েছিল। তবে পুলিশ যাওয়ার সময় তাকে বাসায় পাওয়া যায়নি। তবে বাসার মালিকের কাছে তার পাসপোর্ট ও বিমান টিকিট আমানত হিসেবে রেখে গেছেন বলে পরিবারটির দাবি। স্থানীয় মুরুব্বিয়ানদের উপস্থিতিতে পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তিনি আর সেখানে ফিরে আসেননি বলে অভিযোগ করেছেন খালেদা। পরিবারের ভাষ্য, এরপর থেকেই স্বামীর অবস্থান নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা, পরিবারের আকুতি বর্তমানে স্বামী আবার বিদেশে চলে যেতে পারেন—এমন আশঙ্কা করছেন খালেদা ও তার চার সন্তান। তাই বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের পাশাপাশি তিনি যেন আইনগত প্রক্রিয়া এড়িয়ে বিদেশে চলে যেতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তারা। খালেদার বড় মেয়ে সুমাইয়া আক্তার তান্নি বলেন, তাদের পরিবারের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত কষ্টকর। দীর্ঘদিন ধরে তারা বাবার সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত। মায়ের কষ্ট তারা নিজের চোখে দেখছেন। তারা চান, বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং তাদের পরিবারের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। তিন ছেলেও বাবার সঙ্গে যোগাযোগ ও পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। তাদের ভাষ্য, তারা পরিবারটি ভেঙে যাক—এমনটি চান না; বরং সত্য ঘটনা সামনে এসে ন্যায়সংগত সমাধান হোক। মুরুব্বিয়ানদের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা স্থানীয়দের ভাষ্য, বিষয়টি প্রথমে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছিল। এলাকার মুরুব্বিয়ানরা উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত স্বামী আর ফিরে না আসায় সেই উদ্যোগ সফল হয়নি। এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে খালেদা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে মোঃ ছোট মিয়া, শাহীন আহমদ ও সুলতানা বেগমের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে। এখন খালেদা ও তার চার সন্তানের একটাই দাবি—অভিযোগটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। স্বামীকে বিদেশ পাঠিয়ে এখন চার সন্তান নিয়ে অসহায় খালেদা নতুন বিয়ের অভিযোগ, ভাড়া বাসায় পুলিশ গিয়েও পাননি স্বামীকে; বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পরিবারের আকুতি এ আর ছায়েম | সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট-সুনামগঞ্জ স্বামীকে সৌদি আরবে পাঠাতে আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ঋণ করেছিলেন স্ত্রী। চার সন্তান নিয়ে দীর্ঘদিন সংসার করার পর এখন সেই স্বামীর বিরুদ্ধেই নতুন করে বিয়ে ও স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, স্বামীকে খুঁজতে গিয়ে মারধর ও হুমকির শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেছেন স্ত্রী মোছাঃ খালেদা আক্তার (৪০)। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে তিনি সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরাণ (রহ.) থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে মোছাঃ খালেদা আক্তারের সঙ্গে মোঃ ছোট মিয়ার ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক মেয়ে ও তিন ছেলে—সুমাইয়া আক্তার তান্নি (১৮), খায়রুল ইসলাম তানজিদ (১৬), তাইজুল ইসলাম তাহমিদ (১৩) ও আরিফুল ইসলাম তাহসিন (১১) রয়েছে। খালেদার দাবি, প্রায় চার বছর আগে আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ঋণ করে স্বামী ছোট মিয়াকে সৌদি আরবে পাঠান তিনি। বিদেশে যাওয়ার পর প্রথমদিকে স্বামী স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেও পরবর্তীতে জরুরি প্রয়োজনের কথা বলে তার কাছ থেকে এক লাখ টাকা নেন। এরপর ধীরে ধীরে স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন খ
Reporter Name 


















