ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরিরামপুরে পদ্মায় বাল্কহেডের চ্যানেল চার্জ আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা, আহত ১১

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২০:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৫ Time View
Print

মোঃ নুরুল আমিন জেলা ব্যুরো মানিকগঞ্জ মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পদ্মা নদীতে চলাচলকারী বাল্কহেড থেকে চ্যানেল চার্জ আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হারুকান্দি ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদকসহ অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার হরিণা ঘাটসংলগ্ন মাঝ পদ্মায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার ব্যক্তিদের অভিযোগ, বাল্কহেড থেকে চ্যানেল চার্জ আদায়ের সময় তিনটি স্পিডবোটে করে একদল লোক সেখানে এসে আমাদের ঘিরে ফেলে। এ সময় ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। পরে হেলমেট ও মাস্ক পরা ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র, হকিস্টিক, লোহার রড ও কাঠের বাটাম নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা কয়েকজনকে মারধর করে নদীতে ফেলে দেয়। তিনজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তুলে নিয়ে যাওয়ার ও অভিযোগ করেন। এ সময় চ্যানেল চার্জের টাকা ও মোবাইল ফোনসহ আনুমানিক তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন হামলায় গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাব্বির হোসেন সেতু, হারুকান্দি ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবিদুর রহমান, যুবদল নেতা সজল আহমেদ ও আজম। এ ছাড়া আহত শাহ আলম, নাসির, লোকমান, মিনার চৌধুরী, সাদ্দাম হোসেন, মো. শামিম ও সুজন হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। আহত সজল আহমেদ বলেন, হামলাকারীরা এসে প্রথমে মুকুলকে খুঁজছিলেন। তাকে না পেয়ে তারা এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে কয়েকজনকে মারধর করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয় এবং তিনজনকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায়। হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ও মেডিকেল অফিসার অর্পিতা সাহা জানান, আহত অবস্থায় ১১ জন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবজাল হোসেন বলেন, পদ্মা নদীতে চ্যানেল চার্জ আদায়কে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি শুনেছেন। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে জুলুর বিরুদ্ধে জিডি।

হরিরামপুরে পদ্মায় বাল্কহেডের চ্যানেল চার্জ আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা, আহত ১১

Update Time : ১১:২০:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
Print

মোঃ নুরুল আমিন জেলা ব্যুরো মানিকগঞ্জ মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পদ্মা নদীতে চলাচলকারী বাল্কহেড থেকে চ্যানেল চার্জ আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হারুকান্দি ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদকসহ অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার হরিণা ঘাটসংলগ্ন মাঝ পদ্মায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার ব্যক্তিদের অভিযোগ, বাল্কহেড থেকে চ্যানেল চার্জ আদায়ের সময় তিনটি স্পিডবোটে করে একদল লোক সেখানে এসে আমাদের ঘিরে ফেলে। এ সময় ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। পরে হেলমেট ও মাস্ক পরা ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র, হকিস্টিক, লোহার রড ও কাঠের বাটাম নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা কয়েকজনকে মারধর করে নদীতে ফেলে দেয়। তিনজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তুলে নিয়ে যাওয়ার ও অভিযোগ করেন। এ সময় চ্যানেল চার্জের টাকা ও মোবাইল ফোনসহ আনুমানিক তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন হামলায় গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাব্বির হোসেন সেতু, হারুকান্দি ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবিদুর রহমান, যুবদল নেতা সজল আহমেদ ও আজম। এ ছাড়া আহত শাহ আলম, নাসির, লোকমান, মিনার চৌধুরী, সাদ্দাম হোসেন, মো. শামিম ও সুজন হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। আহত সজল আহমেদ বলেন, হামলাকারীরা এসে প্রথমে মুকুলকে খুঁজছিলেন। তাকে না পেয়ে তারা এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে কয়েকজনকে মারধর করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয় এবং তিনজনকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায়। হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ও মেডিকেল অফিসার অর্পিতা সাহা জানান, আহত অবস্থায় ১১ জন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবজাল হোসেন বলেন, পদ্মা নদীতে চ্যানেল চার্জ আদায়কে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি শুনেছেন। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।