
নুরউদ্দিন খাঁন সোহাগ ষ্টাফ রিপোর্টার খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানার হরিণটানা ৮০ বিঘা নামক এলাকায় আলোচিত জোড়া খুনের ঘটনায় আলামিন হাসান সাইফি (২১), তার সহযোগী রাকিব (১৭) ও সাগর আহমেদকে (২২) গ্রেফতার করেছে ৱ্যাব-৬। এ সময় সাগর আহমেদের নিকট থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বন্দুক সদৃশ্য একটি ওয়ান শুটার গান, ও, একটি রিভলবার ও দুই টা দেশীয় চাপাতি ও একটি চায়নিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) গোপালগঞ্জ সদর থানাধীন মাঝিগাতী রাজার নামক এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি শুক্রবার রাতে ৱ্যাব-৬ নিশ্চিত করেছে এবং শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে র্যাব-৬-এর পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়। প্রেস ব্রিফিং করেন ৱ্যাব-৬ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ। ৱ্যাব-৬ অধিনায়ক জানায়, গত ১৯ আগস্ট খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানাধীন হরিণটানা ৮০ বিঘা এলাকায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবক মো. মঞ্জুরুল ইসলাম (২৩) ও মো. নাজমুলকে (১৮) গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর ছায়া তদন্ত শুরু করে ৱ্যাব -৬। এরপর সন্ত্রাসী আল আমিন হাসান সাইফি ও তার সন্ত্রাসী দলের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর তাকে গ্রেপ্তারে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পরবর্তীতে গোপালগঞ্জের মাঝিগাতী রাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইফি ও তার সহযোগী রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইফি ও রাকিব হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। নিহত নাজমুল তার দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। অন্যদিকে নিহত মঞ্জুরুল প্রতিপক্ষ ‘রোহান পলাশ’ গ্রুপের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলো। ৱ্যাব জানায়, প্রতিপক্ষের সদস্য নাজমুলকে রাকিব আটক করে ভিডিও কলে রাখার পর তাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এর জেরে সাইফি ও তার দলের ১৫-১৬ জন সদস্য আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হরিণটানার ৮০ বিঘা এলাকায় যায়। সেখানে প্রতিপক্ষের সদস্য মঞ্জুরুলকে তার বাবার সামনে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এখানে দুই পক্ষের অন্তঃকোন্দল, আধিপত্য বিস্তার, মাদক ব্যবসা ও শক্তি প্রদর্শনের প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করেই জোড়া হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজনকে ধরতে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ৱ্যাব-৬
Reporter Name 


















