শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
ঘোষনা
লক্ষ্মীপুর ৪ আসনি নৌকার জয় হবে সৈকত। মির্জাগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টা মামলা নওগাঁয় ২৫০শয্যা জেনারেল হাসপাতাল জনবল ও অবকাঠামো সংকটে সিরাজগঞ্জ সলঙ্গা রক্তাক্ত সলঙ্গা বিদ্রোহের একশত এক বর্ষ আজ। পাটগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ওয়াজেদ আলী হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন। থামছে না অবৈধ বালু উত্তোলন, বেড়েছে কারখানা নদীর তীব্র ভাঙ্গন। নারীর মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেল চালক; সন্ধান পাওয়া পরিবারের মির্জাগঞ্জে মৃত্যুদণ্ড ও সাজা প্রাপ্ত দুই পলাতক আসামি গ্রেফতার পবিত্র কোরআন শরিফ পোড়ানোর প্রতিবাদে তালতলীতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা নলতায় মুক্তিযোদ্ধা ফার্নিচার প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই।

সিরাজগঞ্জের কৃতি সন্তান জনাব কবির বিন আনোয়ার অসংখ্য পদক ও সম্মাননায় ভূষিত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২১ মার্চ, ২০২২
  • ১৪৬ বার পঠিত

কে এম নাছির উদ্দীন সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টারঃ

সিরাজগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান জনাব কবির বিন আনোয়ার
Harvard university & Harvard Kennedy school of Governance এ Senior executive কোর্স সাফল্যের সাথে শেষ করলেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, ইসাবেলা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও
বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন এর সভাপতি কবির বিন আনোয়ার। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

পিতামহ- আব্দুস সামাদ মিয়া, ত্রিশের দশকে কলকাতা থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে পাবনা ও সিরাজগঞ্জে আইন পেশায় নিয়োজিত হন। মাতামহ- সৈয়দ ইসহাক সিরাজী ছিলেন সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী’র সহোদর ভাই, শিক্ষক ও সঙ্গীতজ্ঞ। পিতা- আনোয়ার হোসেন রতু সিরাজগঞ্জ জেলার প্রবীণতম রাজনীতিক, খেলোয়াড় ও সংস্কৃতিসেবী। একাত্তরে সিরাজগঞ্জ মহকুমার সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে কাজ করেন। এছাড়া সিরাজগঞ্জ মহকুমা ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে একাধারে ২২ বছর দায়িত্ব পালন করেন। মাতা- সৈয়দা ইসাবেলা একাধারে কথাসাহিত্যিক, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও শিক্ষক।

শিক্ষা জীবনে ১৯৭২ সালে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলে ভর্তি হন, হোস্টেলে থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাশ করেন। ১৯৮০ সালে শিক্ষকগণ কর্তৃক নির্বাচিত হয়ে কলেজ প্রিফেক্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অতঃপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি ও সফলতার সঙ্গে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন তিনি। ১৯৮২ থেকে সামরিক শাসন বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন কবির বিন আনোয়ার। ১৯৮৫-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগ ফজলুল হক হল শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কর্মজীবনের শুরুতে ১৯৮৮ সালে সিভিল সার্ভিসে (প্রশাসন- ৭ম ব্যাচ) যোগদান করেন কবির বিন আনোয়ার। একযুগ মাঠ পর্যায়ে, অর্ধযুগ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (তন্মধ্যে ৩ বছর নেদারল্যান্ডস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রথম সচিব হিসেবে কর্মরত) এবং রাঙামাটির বরকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরবর্তীতে অর্থ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিচালক (প্রশাসন), মহাপরিচলক (প্রশাসন) ও একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) এর প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজধানী ঢাকার চারপাশের দখল-দূষণের শিকার নদীগুলোকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে চালিয়ে যাচ্ছেন অক্লান্ত প্রচেষ্টা। সরকারের পরিবেশ বিষয়ক কমিটিগুলোর জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্বও দিচ্ছেন কবির বিন আনোয়ার। হালদা নদীর পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও মাছের জাত সংরক্ষেণের জাতীয় কমিটির তত্ত্বাবধানকারী তিনি।

পেশাগত কর্মক্ষেত্রের বাইরেও তিনি জড়িত আছেন বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকান্ডের সাথে। এর মধ্যে অন্যতম- চেয়ারম্যান, জাতীয় সম্পত্তি বিষয়ক কমিটি বাংলাদেশ স্কাউট; চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ইয়োগা এসোসিয়েশন; সাধারণ সম্পাদক, ফজলুল হক মুসলিম হল এলামনাই এসোসিয়েশন, ঢাবি; চেয়ারম্যান, ইসাবেলা ফাউন্ডেশন; পরিচালক, বাংলাদেশ লায়ন্স ফাউন্ডেশন; মেম্বার, এসডাব্লিউআইডি, বাংলাদেশ; সদস্য, অদম্য বাংলাদেশ; প্রধান উপদেষ্টা, আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম- সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা; উপদেষ্টা, মজার ইশকুল (পথশিশুদের জন্য পরিচালিত বিদ্যালয়); সভাপতি, সাঁকো প্রতিবন্ধী স্কুল সিরাজগঞ্জ; সভাপতি, জুয়েল অক্সফোর্ড স্কুল সিরাজগঞ্জ। তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ কমিটি/ সুন্দরবন সংরক্ষণ কমিটি/ নদী গবেষণা প্রোগ্রাম এর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।

কবির বিন আনোয়ার বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মুক্তি সংগ্রাম এর চেতনা, অনুভূতি ও সত্ত্বার সাথে গভীরভাবে জড়িত। দেশে ও বিদেশে তাঁর জনমুখী কল্যাণধর্মী কাজের জন্য অসংখ্য পদক ও সম্মাননায় ভূষিত হন তিনি।

লেখালেখি ও ছবি আঁকাতেও পারদর্শী কবির বিন আনোয়ার। তাঁর লেখা ও প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে অন্যতম ‘বিশ্ব ধারা মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম (সংকলন-১)’, ‘বিশ্ব ধারা মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম (সংকলন-২)’, ‘বিস্মৃত মুসলিম মানস’, ‘রূপসী বাংলা (১ম খন্ড)’, ‘প্রযুক্তি বদলে দিল যারা’, ‘অপরূপ বাংলাদেশ (১ম খন্ড)’। তিনি UK Foreign & Commonwealth Office, De-Classified Documents 1962-1971, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and Struggle for Independence এবং US State Department, De-Classified Documents 1953-1973, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and Struggle for Dependence সম্পাদনা করেন।

নানাবিধ আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশ এর প্রতিনিধিত্ব করেছেন কবির বিন আনোয়ার। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সভা, সেমিনার, কর্মশালা ও নেগোসিয়েশনে অংশগ্রহণ করার জন্য অনেক দেশ ভ্রমণ করেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হিসেবে জাতিসংঘের সহস্রাব্দ সম্মেলন, ওআইসি সম্মেলন, কমনওয়েলথ্‌ সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং পবিত্র হজ্জ্ব পালনে সৌদিআরব গমন করেন। তিনি ১৭টি দেশে প্রধানমন্ত্রীর সরকারী সফরে সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন। সর্বমোট ৪২টি দেশ ভ্রমণ করেছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড, জাপান, সুইজারল্যান্ড, ভারত, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর, অষ্ট্রেলিয়া, ইতালি, বেলজিয়াম, সিরিয়া, ভিয়েতনাম, নেদারল্যান্ড, নেপাল, মালয়েশিয়া, সৌদি-আরব, কম্বোডিয়া, লাওস, ফিলিপাইন, লুক্সেমবার্গ, জার্মানি, দক্ষিণ আফ্রিকা, কুয়েত, কাতার, ইন্দোনেশিয়া, ডেনমার্ক, রাশিয়া, মরক্কো মালদ্বীপ এবং তুরষ্ক।সিরাজগঞ্জ জেলার পক্ষ থেকে অসংখ্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।Harvard university & Harvard Kennedy school of Governance এ Senior executive কোর্স সাফল্যের সাথে শেষ করলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই পত্রিকার সকল সংবাদ, ছবি ও ভিডিও স্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ দৈনিক মাতৃজগত    
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Bangla Webs
banglawebs999991