
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর মিরপুরে ১০ কাঠা জমির একটি প্লটের মালিকানা নিয়ে সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেডের পক্ষ থেকে মালিকানা দাবির তথ্য সামনে এসেছে। সমিতির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বরাদ্দ এবং রেজিস্ট্রি দলিলের ভিত্তিতে উক্ত প্লটটি সমিতির মালিকানাধীন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেডের নিবন্ধন নম্বর ৩৫/৯২ এবং সংশোধনী নিবন্ধন নম্বর ৩৫/০৮। সমিতির ঠিকানা হিসেবে উল্লেখ রয়েছে—১৪১ নম্বর বৈশাখী সুপার মার্কেট, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬। প্লটটির তফসিলসংক্রান্ত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, জমিটি ঢাকা, মিরপুর সেকশন-১, ব্লক-টি, এভিনিউ-৪-এর ৬ নম্বর প্রাতিষ্ঠানিক প্লটের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত ৬/১ নম্বর প্লট হিসেবে চিহ্নিত। সংশ্লিষ্ট তথ্য ও ব্যানারে জমির পরিমাণ ১০ কাঠা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সমিতির সভাপতি হিসেবে মো. জসিম উদ্দিনের নাম উল্লেখ রয়েছে। সমিতির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, উল্লিখিত প্লটটি তাদের মালিকানাধীন এবং এ বিষয়ে বরাদ্দ ও রেজিস্ট্রি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। তবে জমিটির মালিকানা নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি, বিরোধ বা পাল্টা দাবি থাকলে তা নিরসনে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথিপত্র যাচাই করা জরুরি। বিশেষ করে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বরাদ্দপত্র, রেজিস্ট্রি দলিল, খতিয়ান, নামজারি এবং অন্যান্য ভূমি-সংক্রান্ত রেকর্ড যাচাইয়ের মাধ্যমে মালিকানার বিষয়টি স্পষ্ট করা যেতে পারে। সমিতির পক্ষ থেকে করা মালিকানা দাবির সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও ভূমি রেকর্ডের তথ্য যাচাই প্রয়োজন। সরকারি নথি ও নিবন্ধিত দলিলে মালিকানা-সংক্রান্ত তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। স্থানীয়ভাবে জমিটির মালিকানা বা দখল নিয়ে কোনো বিরোধ কিংবা দাবি-দাওয়া থাকলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং সরকারি রেকর্ডের ভিত্তিতে বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে সমিতির পক্ষ থেকে করা মালিকানা দাবির তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। চূড়ান্ত মালিকানা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের রেকর্ড, রেজিস্ট্রি দলিল, খতিয়ান, নামজারি ও সংশ্লিষ্ট ভূমি নথি যাচাই করা প্রয়োজন।
Reporter Name 

















