ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে অজ্ঞাত পরিচয়ের নারী পুরুষের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ২২ Time View
Print

আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার কেশবপুর অজ্ঞাত পরিচয়ের নারী পুরুষের মরদেহ সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। নিহতরা হলেন, যশোরের কেশবপুর উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়নের মাগুরখালি গ্রামের মৃ/ত জোবান আলী সর্দারের ছেলে আলেক সর্দার (৪৫) ও তাঁর স্ত্রী মাজেদা বেগম (৩৮)। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের কমলাপুর–ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের মাঠ থেকে তাঁদের ম/রদে/হ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের আফসার আলী গাজী বিকেল ৫টার দিকে কপির চারা রোপণের উদ্দেশ্যে মাঠে যান। এ সময় কুদ্দুসের সেচ বোরিং ও ধানখেতের পাশের এলাকায় এক নারী ও এক পুরুষের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি তাঁর ভাতিজা শহীদকে বিষয়টি জানান। এরপর স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইবাদ আলী এবং গ্রাম পুলিশ সিরাজুল ইসলামকে অবহিত করা হয়। গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে এবং পরবর্তী সময়ে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করে। প্রাথমিকভাবে তাঁদের হ/ত্যার শিকার হওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে হ/ত্যাকা/ণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। ঘটনার খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশের পাশাপাশি যশোর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁরা হ/ত্যাকা/ণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামের নির্দেশনায় মনিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হক, কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান, পিবিআই কর্মকর্তা দেবব্রত হরিসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে তদন্ত কার্যক্রমে অংশ নেন। পরে ম/রদে/হ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ম/র্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হ/ত্যাকা/ণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

শনিবার মধ্যরাত থেকে জাটকা আহরণে আট মাসের নিষেধাজ্ঞা

কেশবপুরে অজ্ঞাত পরিচয়ের নারী পুরুষের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত

Update Time : ০২:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
Print

আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার কেশবপুর অজ্ঞাত পরিচয়ের নারী পুরুষের মরদেহ সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। নিহতরা হলেন, যশোরের কেশবপুর উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়নের মাগুরখালি গ্রামের মৃ/ত জোবান আলী সর্দারের ছেলে আলেক সর্দার (৪৫) ও তাঁর স্ত্রী মাজেদা বেগম (৩৮)। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের কমলাপুর–ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের মাঠ থেকে তাঁদের ম/রদে/হ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের আফসার আলী গাজী বিকেল ৫টার দিকে কপির চারা রোপণের উদ্দেশ্যে মাঠে যান। এ সময় কুদ্দুসের সেচ বোরিং ও ধানখেতের পাশের এলাকায় এক নারী ও এক পুরুষের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি তাঁর ভাতিজা শহীদকে বিষয়টি জানান। এরপর স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইবাদ আলী এবং গ্রাম পুলিশ সিরাজুল ইসলামকে অবহিত করা হয়। গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে এবং পরবর্তী সময়ে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করে। প্রাথমিকভাবে তাঁদের হ/ত্যার শিকার হওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে হ/ত্যাকা/ণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। ঘটনার খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশের পাশাপাশি যশোর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁরা হ/ত্যাকা/ণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামের নির্দেশনায় মনিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হক, কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান, পিবিআই কর্মকর্তা দেবব্রত হরিসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে তদন্ত কার্যক্রমে অংশ নেন। পরে ম/রদে/হ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ম/র্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হ/ত্যাকা/ণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।