
শারমিন আরা ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি: ২১/৮/২০২৬ ঝিনাইদহ উপজেলা পরিষদ পুকুরটি যেন এক আতঙ্কের নাম। গত কয়েক বছরে এখানে প্রাণ হারিয়েছে তিন উদীয়মান শিক্ষার্থী। দুই দিন আগেই এই পুকুরে ডুবে রহস্যজনকভাবে মারা যায় সপ্তম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী আরাবি। পরপর এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় অনেকেই এখন এই পুকুরকে ‘মরণফাঁদ’ হিসেবে দেখছেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল পুকুরটির নিরাপত্তা জোরদারে বেশ কিছু জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি—পুকুরের ঝুঁকিপূর্ণ সিঁড়িগুলো অবিলম্বে প্রসারিত করা, সিঁড়ির দুই পাশে শক্ত সুরক্ষাবেষ্টনী (ওয়াল) নির্মাণ করা এবং গভীরতা নির্দেশক সতর্কবার্তাসহ সাইনবোর্ড টাঙানো। এছাড়া প্রতিনিয়ত নজরদারির জন্য একজন সার্বক্ষণিক সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের জোর দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী। ১২ থেকে ১৩ ফিট গভীরতার এই পুকুরটিতে ক্রমাগত মৃ,ত্যুর ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ‘সেফ সুইমিং একাডেমি’র পরিচালক বিপ্লব। তিনি বলেন, “নদীমাতৃক বাংলাদেশে শিশুদের জীবন রক্ষার স্বার্থে সাঁতার শেখা অত্যন্ত জরুরি।” তিনি আরও বলেন, প্রতিটি স্কুলে যাতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সাঁতার শেখানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, সে ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন তিনি। অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সেফ সুইমিং একাডেমি জানায়, অকাল মৃত্যু থেকে সন্তানদের বাঁচাতে সাঁতার শেখানোর কোনো বিকল্প নেই। আপনার সন্তানকে সাঁতার শেখান এবং পানির বিপদ থেকে তার জীবন সুরক্ষিত রাখুন।
Reporter Name 


















