ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউনিয়র পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উপর হামলা।

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭৬ Time View
Print

মোঃ জহুরুল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ বসতবাড়ি দোকান এনজিও অফিস ভাংচুর ও লুটপাট এবং তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে । শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭ টার দিকে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বাড়াদী এলাকায় এ ঘটনার ঘটে। এ ঘটনায় ইসলামি আন্দোলন কুষ্টিয়া জেলা শাখার ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান (৪০) বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামী করে কুমারখালী থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন কয়া ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকার আতাউল ইসলাম, মিনারুল ইসলাম, ইমারুল ইসলাম, বারাদী এলাকার কিরাম আলী মন্ডল, মাসুদ মন্ডল, মাহবুল ইসলাম, মামুন মন্ডল, সাহাবুল মন্ডল, মোকা মন্ডল, আলিমুল মন্ডল, অন্তর, ছারন সহ অজ্ঞাতনামা আরো ২০ থেকে ২৫ জন। এজাহার সুত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন স্থানীয় নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষে মিজানুর রহমান তার সহযোগীদের সাথে নিয়ে বাড়াদী এলাকার নজুর মোড়ে কিররণর দোকানে চা খাচ্ছিলেন। এসময় আতাউল ও মিনারুল ইসলামের নেতৃত্বে মাসুদ মন্ডল ও মাহাবুল ইসলাম তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে । মিজানুর রহমান তাদেরকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে অভিযুক্তরা আগ্নেয় অস্ত্র সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার সহযোগী দুলাল হোসেনকে মারধোর করে। মারধরের একপর্যায়ে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এসময় তাদের ফেলে যাওয়া তিন মোটসাইকেল ভাংচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে অভিযুক্তরা কিরনের দোকান, দুলালের বাড়ী ও বাড়ীর নিচে থাকা এনজিও অফিস এবং খোরশেদের বাড়ীতে ভাংচুর ও লুটপাট চালানো সহ খোরশেদের স্ত্রী ও মাকে মারধর এবং হেনস্থা করে । এসময় অভিযুক্তরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে চলে যায় । কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন জানান, এঘটনায় ১২ জনকে আসামি করে থানায় মামলা রুজু হয়েছে। ইতিমধ্যে আসামিদের গ্রেফতারের জন্য জোর চেষ্টা চলছে,খুব দ্রুত আসামিদের কে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরগুনায় নতুন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউনিয়র পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উপর হামলা।

Update Time : ১০:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

মোঃ জহুরুল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ বসতবাড়ি দোকান এনজিও অফিস ভাংচুর ও লুটপাট এবং তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে । শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭ টার দিকে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বাড়াদী এলাকায় এ ঘটনার ঘটে। এ ঘটনায় ইসলামি আন্দোলন কুষ্টিয়া জেলা শাখার ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান (৪০) বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামী করে কুমারখালী থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন কয়া ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকার আতাউল ইসলাম, মিনারুল ইসলাম, ইমারুল ইসলাম, বারাদী এলাকার কিরাম আলী মন্ডল, মাসুদ মন্ডল, মাহবুল ইসলাম, মামুন মন্ডল, সাহাবুল মন্ডল, মোকা মন্ডল, আলিমুল মন্ডল, অন্তর, ছারন সহ অজ্ঞাতনামা আরো ২০ থেকে ২৫ জন। এজাহার সুত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন স্থানীয় নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষে মিজানুর রহমান তার সহযোগীদের সাথে নিয়ে বাড়াদী এলাকার নজুর মোড়ে কিররণর দোকানে চা খাচ্ছিলেন। এসময় আতাউল ও মিনারুল ইসলামের নেতৃত্বে মাসুদ মন্ডল ও মাহাবুল ইসলাম তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে । মিজানুর রহমান তাদেরকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে অভিযুক্তরা আগ্নেয় অস্ত্র সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার সহযোগী দুলাল হোসেনকে মারধোর করে। মারধরের একপর্যায়ে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এসময় তাদের ফেলে যাওয়া তিন মোটসাইকেল ভাংচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে অভিযুক্তরা কিরনের দোকান, দুলালের বাড়ী ও বাড়ীর নিচে থাকা এনজিও অফিস এবং খোরশেদের বাড়ীতে ভাংচুর ও লুটপাট চালানো সহ খোরশেদের স্ত্রী ও মাকে মারধর এবং হেনস্থা করে । এসময় অভিযুক্তরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে চলে যায় । কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন জানান, এঘটনায় ১২ জনকে আসামি করে থানায় মামলা রুজু হয়েছে। ইতিমধ্যে আসামিদের গ্রেফতারের জন্য জোর চেষ্টা চলছে,খুব দ্রুত আসামিদের কে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।