ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মনপুরায় চাঁদা না দেওয়ায় মহিষ নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বাধা, ইউপি মেম্বারকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ; গ্রেপ্তার ২

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৮:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩০ Time View

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

Print

 

মোঃ শাকিল খান রাজু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:

ভোলার মনপুরায় চাঁদা না দেওয়ায় মহিষ নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ইউপি মেম্বার মোঃ শরিফকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কলাতলী ইউনিয়নের কাজীরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে দুপুর ২টার দিকে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম।

গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি হলেন—মোঃ জুয়েল (২৫) ও মোঃ ছালাউদ্দিন (৩৬)। তাদের দুজনের বাড়ি কলাতলী ইউনিয়নের কাজীরচর এলাকার ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, আহত ইউপি মেম্বার মোঃ শরিফের ভাই ও মামলার বাদী রুবেল ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মামলার আসামিরা তার ভাই ইউপি মেম্বার মোঃ শরিফের কাছে চাঁদা দাবি করেন। পরে চাঁদার পরিবর্তে মহিষ নিয়ে যাওয়ার সময় ইউপি মেম্বার বাধা দিলে আসামিরা তাকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। এ ঘটনায় রুবেল ভূঁইয়া বাদী হয়ে ছয়জনের বিরুদ্ধে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেন।

এদিকে ইউপি মেম্বারকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন গ্রেপ্তারকৃত আসামি মোঃ ছালাউদ্দিন ও মোঃ জুয়েল।

তারা দাবি করেন, ওই হামলার ঘটনায় তারা জড়িত নন। রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে তাদের মামলায় আসামি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, মামলার ছয় আসামির মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অপর চার আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে কাদার ভেতর ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

মনপুরায় চাঁদা না দেওয়ায় মহিষ নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বাধা, ইউপি মেম্বারকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ; গ্রেপ্তার ২

Update Time : ১২:৩৮:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
Print

 

মোঃ শাকিল খান রাজু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:

ভোলার মনপুরায় চাঁদা না দেওয়ায় মহিষ নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ইউপি মেম্বার মোঃ শরিফকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কলাতলী ইউনিয়নের কাজীরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে দুপুর ২টার দিকে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম।

গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি হলেন—মোঃ জুয়েল (২৫) ও মোঃ ছালাউদ্দিন (৩৬)। তাদের দুজনের বাড়ি কলাতলী ইউনিয়নের কাজীরচর এলাকার ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, আহত ইউপি মেম্বার মোঃ শরিফের ভাই ও মামলার বাদী রুবেল ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মামলার আসামিরা তার ভাই ইউপি মেম্বার মোঃ শরিফের কাছে চাঁদা দাবি করেন। পরে চাঁদার পরিবর্তে মহিষ নিয়ে যাওয়ার সময় ইউপি মেম্বার বাধা দিলে আসামিরা তাকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। এ ঘটনায় রুবেল ভূঁইয়া বাদী হয়ে ছয়জনের বিরুদ্ধে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেন।

এদিকে ইউপি মেম্বারকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন গ্রেপ্তারকৃত আসামি মোঃ ছালাউদ্দিন ও মোঃ জুয়েল।

তারা দাবি করেন, ওই হামলার ঘটনায় তারা জড়িত নন। রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে তাদের মামলায় আসামি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, মামলার ছয় আসামির মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অপর চার আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।