
মোঃ আতাউর রহমান মুকুল, সিনিয়র স্টাফ রিপোটার: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। পরিদর্শনকালে তিনি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগ ও সমস্যার কথা শোনেন। নদীভাঙন রোধ ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। পরিদর্শন শেষে কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার বাজারে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। মতবিনিময় সভায় গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি, গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুন নবী টিটুল, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ভুট্টু, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বাবুল আহমেদ, সদস্য সচিব মাহমুদুল ইসলাম প্রামাণিকসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “সুন্দরগঞ্জের কাপাসিয়া ইউনিয়ন বর্তমানে ভয়াবহ নদীভাঙনের কবলে পড়েছে। নদীভাঙনকবলিত এলাকাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। এসব এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিএনপি বর্তমানে রাষ্ট্রক্ষমতায় রয়েছে। এর আগে দীর্ঘ সময় দলটি ক্ষমতার বাইরে ছিল। তাই ক্ষমতায় থাকাকালীন সবাইকে দায়িত্বশীল ও সংযত আচরণ করতে হবে। কোনোভাবেই সীমালঙ্ঘন করা যাবে না। তিনি আরও বলেন, “আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে আপনাদের গতি কমাতে হবে। ভদ্র, নম্র ও সহনশীল হতে হবে এবং মুরুব্বিদের সম্মান করতে হবে। প্রয়োজনে তাদের জন্য চেয়ার ছেড়ে দিতে হবে।” পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুন্দরগঞ্জের মানুষের সার্বিক উন্নয়ন, নদীভাঙন রোধসহ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের বিষয়ে সরকার সজাগ রয়েছে। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর আগে প্রতিমন্ত্রী কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন নদীভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি নদীর ভাঙন পরিস্থিতি, ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ি ও এলাকার মানুষের দুর্ভোগ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শোনেন এবং নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের কারণে কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার মানুষ ঘরবাড়ি, জমিজমা ও সহায়-সম্বল হারিয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। নদীভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
Reporter Name 


















