
মোঃ আতাউর রহমান মুকুল, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জমি-জমা সংক্রান্ত ঘটনায় চাঁদা দাবি, বসতবাড়ি-দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা নিয়ে থানায় মিথ্যা এজাহার দাখিল ও বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন ভার্সনে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে খবর প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রতিপক্ষ। গত সোমবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে সুন্দরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবে এনিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রতিপক্ষ মো. আব্দুল জলিল মিয়া ও শরীকগণ। আব্দুল জলির পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের পূর্ব বাইপাস মোড়ের বাসিন্দা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো. আব্দুল জলিল মিয়া বলেন, থানার এজাহারে ও প্রকাশিত খবরে তাঁদের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, বাড়িঘর-দোকানে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাটের যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁদের বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা এহাজার ও খবর প্রকাশ করা হয়েছে । তিনি বলেন, বিরোধপূর্ণ জমিটি তাঁদের মালিকানাধীন। জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি নিয়ে আইনগতভাবে অভিযোগও করা হয়েছে। এরপরও ওই জমিতে অপরপক্ষ ঘর নির্মাণের কাজ করছিলেন। নির্মাণ কাজ বাঁধা দেয়ার জন্য তাঁরা সেখানে গিয়েছিলেন। কিন্তু প্রভাব খাটিয়ে উল্টো তাঁদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, লুটপাট ও ভাঙচুরের এজাহার দেয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে দোকান মালিক মো. আব্দুর রহিম বলেন, তার দোকানে কোন ভাংচুর ও মালামাল লুটতরাজারের ঘটনা ঘটেনি। অবসরপ্রাপ্ত উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. সরোয়ার হোসেন বলেন, বিরোধী জমি কবলামূলে একজন বাদে সকল ওয়ারিশের নিকট থেকে দলিল করে নেয়া হয়েছে। অন্য জায়গায় তাদের জমি রয়েছে। সেখানে না গিয়ে আমার ক্রয় করা জমিতে প্রভাব খাটিয়ে অবকাঠামে নির্মানে বাঁধা দেয়, ভাংচুর, লুটতরাজ করে এবং চাঁদা দাবি করে। থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, ঘটনাটি নিয়ে সরোয়ার তোসেন থানায় এজাহার দিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আপাতত অবকাঠামো নির্মাণ বন্দ করে দেয়া হয়েছে। সেই উভয় পক্ষে কাগজপত্র নিয়ে থানায় ডাকা হয়েছে।
মোঃ আতাউর রহমান
Reporter Name 


















