
আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সাতক্ষীরার বিসমিল্লাহ ফুডস এর কর্মচারি কোহিনুর খাতুনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আব্দুস সোবহানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড- মঞ্জুর করেছে আদালত। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম বিলাস ম-ল মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক শাহাদাৎ হোসেনের পাঁচ দিনের রিমান্ড- আবেদন শুনানী শেষে এ আদেশ দেন। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুস সোবহান (৫০) সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া লস্করপাড়ার আব্দুর রহমানের ছেলে। মামলার বিবরণে জানা যায়, একমাত্র ছেলে মুন্নাকে নিয়ে বাপের বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খেলারডাঙ্গী গ্রামে থাকতো কোহিনুর বেগম। জীবন জীবিকার তাগিদে কাজ করতেন শহরতলীর তালতলা এলাকার বিসমিল্লাহ ফুডস এ। কাজ করার সুবাদে কারখানা মালিক আব্দুস সোবহানের সাথে তার অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি মানতে না পেরে আব্দুস সোবহানের স্ত্রী মঞ্জুয়ারা বেগম কারখানায় এসে ও রাস্তাঘাটে কোহিনুরকে কয়েকবার মারপিট করে। গত ৩১ আগষ্ট বিকেলে কারখানার ফটকে কোহিনুরকে মাপিট করেন মঞ্জুয়ারা। গত ৩১ আগষ্ট সকালে কারখানায় কাজ করতে এসে রাতে বাড়ি ফেরেনি কোহিনুর। পহেলা সেপ্টেম্বর সকালে তালতলা এলাকার আব্দুল খালেকের জলাবদ্ধ জমি থেকে কাহিনুরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশের ময়না তদন্ত শেষে জানা যায় যে, কাহিনুরকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ওই দিন রাতেই নিহতের ভাই ইমরান হোসেন বাদি হয়ে কারো নাম উল্লেখ না করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওইদিন বিকেলে সন্ধিগ্ধ আসামী হিসেবে পুলিশ কারখানার মালিক আব্দুস সোবহানকে আটক করে। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা ৩ সেপ্টেম্বর আব্দুস সোবহানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন জানান। ৪ সেপ্টেম্বর আব্দুস সোবহানের স্ত্রী মঞ্জুয়ারা বেগম তার ছেলে, মেয়ে ও জামাতাকে নিয়ে বাদি ইমরানের বাড়িতে যেয়ে মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি দেন। সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মঈনউদ্দিন রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক শাহাদাৎ হোসেন জানান, আদালতের আদেশ হাতে পাওয়ার পর যে কোন সময়ে আসামীকে কারাগার থেকে থানা হেফাজতে নেওয়া হবে।
Reporter Name 


















