
এস এম জসিম বিশেষ প্রতিনিধি অভিযুক্ত ওই নারীর নাম অনামিকা রায় (ছদ্মনাম ফারিয়া জান্নাত সুভা)। মূলত এসএসসি পাস এবং নার্সিং কোর্স করা অনামিকা নিজেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ডাক্তার, বিসিএস ক্যাডার এবং অক্সফোর্ডের পিএইচডি স্কলার হিসেবে ভুয়া পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি তার এক ভুক্তভোগী স্বামীর করা বিস্ফোরক দাবির পর এই ভয়ংকর প্রতারণার জাল উন্মোচিত হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, অনামিকা নিজেকে মুসলিম পরিচয় দিয়ে প্রেম বা বিয়ের ফাঁ’দ পাততেন। বিয়েতে মোটা অঙ্কের (১৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা) কাবিননামা তৈরি করতেন। বিয়ের কিছুদিন পর স্বামীদের বিভিন্ন মি’থ্যা মা’ম’লায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে বা ডি’ভোর্সের মাধ্যমে সেই কাবিনের টাকা আদায় করে উধাও হয়ে যেতেন। সামাজিকভাবে মান-সম্মানের ভয়ে বেশিরভাগ ভুক্তভোগীই মুখ বুজে টাকা দিয়ে দিতেন। একেক এলাকায় একেক পরিচয় ও ভিন্ন ভিন্ন সিম কার্ড ব্যবহার করায় অনামিকাকে সহজে ট্র্যাক করা যেত না। এই অভিনব কায়দায় তিনি এ পর্যন্ত ২৭ জনকে বিয়ে করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাটি বর্তমানেক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে.!
Reporter Name 


















