
মো. আসাদুজ্জামান আসাদ
স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা :
চুয়াডাঙ্গা জেলায় বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে ‘সবুজে সুন্দর আগামী’ গড়ার প্রত্যয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার বেলা ১১টায় শহরের রাহেলা খাতুন গার্লস একাডেমি স্কুল প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
বসুন্ধরা শুভসংঘ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট আ. স. ম. আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সেলিম, জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মঞ্জুরুল আলম মালিক লার্জ, সাধারণ সম্পাদক সুমন পারভেজ খান, কোষাধ্যক্ষ পলাশ কুমার সাহা, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবীব এবং রাহেলা খাতুন গার্লস একাডেমির প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমানসহ শিক্ষকবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হেমন্ত কুমার সিংহ রায়।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন কমিটির উপদেষ্টা জামান আখতার ও জিসান আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক শেখ লিটন, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক শামসুজ্জোহা রানা, কর্ম ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক সাকিব বিশ্বাস, ক্রীড়া সম্পাদক সালমান ফার্সি এবং সদস্য নাফিস আহমেদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বায়ুদূষণ ও পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে বৃক্ষনিধন ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে সবুজের পরিমাণ ক্রমেই কমে যাচ্ছে। এমন বাস্তবতায় বর্তমান জনবান্ধব সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের ঘোষণা দিয়েছেন এবং এ কর্মসূচি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এর সঙ্গে বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়ার উদ্যোগ সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, এটি মানুষের জীবন রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গাছ বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে অক্সিজেন সরবরাহ করে, মাটির ক্ষয়রোধ করে, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহায়তা করে এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই প্রতিটি মানুষের অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়া উচিত। বসুন্ধরা শুভসংঘের এ উদ্যোগ দেশের প্রতিটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ুক।
গাছের চারা পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রাহেলা খাতুন গার্লস একাডেমির শিক্ষার্থীরা। তারা জানায়, নিজ বাড়ির আঙিনা কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খালি জায়গায় এসব চারা রোপণ করবে এবং নিয়মিত পরিচর্যা করবে। তাদের মতে, একটি গাছ বড় হয়ে ওঠা দেখার মধ্যেও রয়েছে আলাদা আনন্দ এবং দায়িত্ববোধের শিক্ষা।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথি ও শিক্ষার্থীরা স্কুল প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন।
Reporter Name 


















