
মোঃ গোলজার হোসেন হীরা বিশেষ প্রতিনিধি:– বাংলাদেশ প্রশাসন ক্যাডারের ৩৫তম বিসিএসের একজন দক্ষ, সৎ, ন্যায়নিষ্ঠ, সাহসী ও মানবিক কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন। কর্মজীবনের প্রতিটি দায়িত্বে তিনি নিষ্ঠা, সততা, দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সাধারণ মানুষের আস্থা, ভালোবাসা ও সম্মান অর্জন করেছেন।
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সরকারি সম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, মাদকবিরোধী অভিযান, অবৈধ স্থাপনা অপসারণ এবং ভূমি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি কোনো ধরনের প্রভাব, চাপ কিংবা অনৈতিক সুপারিশের কাছে নতি স্বীকার না করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেন।
তাঁর কাছে অপরাধীর একমাত্র পরিচয় ছিল—অপরাধী। ব্যক্তি, পরিচয় কিংবা প্রভাব নয়; আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান—এই নীতিতে অবিচল থেকে দায়িত্ব পালন করায় তিনি স্থানীয় মানুষের কাছে একজন নির্ভীক, ন্যায়পরায়ণ ও জনবান্ধব প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন।
দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে দ্বিধা করেননি। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায় এবং প্রশাসনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের মতে, তাঁর দায়িত্বকালে সরকারি জমি উদ্ধার, অবৈধ দখলমুক্তকরণ, ভূমি অফিসে সেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং জনসেবাকে আরও সহজ ও কার্যকর করার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসে। একই সঙ্গে উপজেলার ভূমি অফিসগুলো দীর্ঘ সময় দালালমুক্ত পরিবেশে পরিচালিত হওয়ায় সাধারণ মানুষ হয়রানিমুক্তভাবে সরকারি সেবা গ্রহণের সুযোগ পান।
পরবর্তীতে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন প্রতিরোধ, মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, কর্মদক্ষতা এবং সাহসী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক আস্থা সৃষ্টি করে।
দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা তাঁকে গণমানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে যায়। আজও বগুড়ার শেরপুর ও সোনাতলার অসংখ্য মানুষের মুখে তাঁর সততা, কর্মদক্ষতা, সাহসিকতা, মানবিকতা ও জনবান্ধব প্রশাসনের প্রশংসা শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।
বর্তমানে তিনি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত ৩০ এপ্রিল ২০২৬ দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলা, সরকারি সেবাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করা এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা দ্রুত সমাধানে আন্তরিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখে স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে প্রশাসনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা, জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও জনসেবার মান আরও উন্নত হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিমত।
সততা, ন্যায়পরায়ণতা, সাহসিকতা, মানবিকতা এবং জনসেবার প্রতি অটল অঙ্গীকার—এই গুণাবলির সমন্বয়ে সাবরিনা শারমিন একজন আদর্শ প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কর্মদক্ষতা, বিচক্ষণ নেতৃত্ব, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং মানুষের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ মনোভাব তাঁকে প্রশাসনের একজন অনুকরণীয় কর্মকর্তা হিসেবে বিশেষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, তাঁর সততা, নিষ্ঠা, কর্মস্পৃহা, দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং মানবিক মূল্যবোধ ভবিষ্যতেও প্রশাসনে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন সুদৃঢ়করণ এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
জনগণের কল্যাণে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা, দায়িত্ববোধ, সাহসী নেতৃত্ব ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আগামী দিনেও প্রশাসনের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
একজন দক্ষ, সৎ ও জনবান্ধব প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে সাবরিনা শারমিনের কর্মনিষ্ঠা এবং সেবাধর্মী নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
Reporter Name 























